cosmetics-ad

দক্ষিণ কোরিয়ার যাতায়াত ব্যবস্থা

#যোগাযোগ_ব্যবস্থা:

আমার সবচেয়ে ভালোলাগে দক্ষিণ কোরিয়ার যাতায়াত ব্যবস্থা। কোরিয়ার পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ভ্যারি ওয়েল কানেক্টেড। বিশেষ করে রাজধানী সিউলের সাবওয়ে (মেট্রোরেল) সিস্টেম। আপনি বাসা থেকে বের হওয়ার আগেই কোথায় যাবেন,কত মিনিট লাগবে,কয়টার সময় ট্রেন/বাস স্টেশন সব কিছু সম্পর্কে এপসের মাধ্যমে জেনে নিতে পারবেন।May be an image of Al Jaber Faisal

একটা উদাহরণ দেওয়া যাক,কোরিয়াতে আসার প্রথম ৩ বছর আমার বাসা থেকে ইউনিভার্সিটি এক ঘন্টা ১৫ মিনিট (হাঁটা এবং ট্রেনের সময়) দূরত্বে ছিলো। আমার ক্লাস ৯টায় হলে আমি প্রতিদিন ৭:৪০ মিনিটে বের হলে ঠিক ৮:৫৫ মিনিটে আমি ইউনিভার্সিটিতে পৌঁছে যাই। অফিস টাইমে প্রায় প্রতি মিনিটে একটা করে ট্রেন আসে এবং দিনের সময় প্রতি ২-৫ মিনিট পর পর একটা করে ট্রেন আসে।

যাইহোক,এখানে অন্যান্য দেশের ট্রান্সপোর্ট থেকে সিউলের পাবলিক ট্রান্সপোর্ট একটা বিষয় অন্যদের থেকে ভালো সেটা হলো,আপনি বাস/ট্রেন একটা থেকে অন্য একটা ৩০ মিনিটের মধ্যে ট্রান্সফার নিতে পারবেন এবং আলাদা কোন ভাড়া দেওয়া লাগবে না (অন্য কোন দেশে আছে কিনা জানা নেই)।হংকং,জাপান বা চায়নার অভিজ্ঞতা থেকে,প্রতিবার বাস থেকে ট্রেনে বা ট্রেন থেকে বাসে আলাদা আলাদা ভাড়া দিতে হবে।

এর বাহিরেও আপনি সিউলের বাহিরে অন্য একটা সিটিতে যাওয়ার ক্ষেত্রে ঐ বাস/ ট্রেনে একজন যাত্রী হলেও যথাসময়ে ঐ বাস বা ট্রেন যাত্রা আরম্ভ করবে। ট্রেনের ক্ষেত্রে আপনি যদি বিকাল ৪টা ০৫ মিনিটে ছেড়ে রাত ৭:৩৫ মিনিটে পৌঁছাবেন টিকেটে লিখা থাকে এবং আপনি ঠিক সেই সময়েই পৌঁছাবেন। কিন্তু বাসের ক্ষেত্রে মাঝেমধ্যে ট্রাফিক জ্যামের কারণেন ৫-১৫ মিনিট দেরি থাকে। আপনার যদি কাকাও ম্যাপ(এপস) থাকে তাহলে আপনিই দেখতে পাবেন কখন পৌছাবেন। আমার সবচেয়ে বেশি লাগে যখন আমি বাসা থেকে বের হওয়ার আগেই ক্যালকুলেট করতে পারি কোথায় যাচ্ছি এবং কখন পৌঁছাবো।

উল্লেখ্য যে,কোরিয়ার সাবওয়ে (মেট্রোরেল) বেশি স্টেশন, বিজি স্টেশন, এবং সুযোগ সুবিধার দিক দিয়ে ৪/৫ এর মধ্যে অবস্থান করে বিশ্বের মধ্যে। বিস্তারিত জানতে গুগলে সার্চ দিয়ে দেখতে পারেন।

আল জাবের ফয়সাল
 সিউল, দক্ষিণ কোরিয়া।
-যোগাযোগ- [email protected]