sentbe-top

ট্রাম্প-কিম বৈঠক নিশ্চিত করতে তৎপর দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উনের মধ্যকার শীর্ষ সম্মেলন নিশ্চিত করতে তৎপরতা চালাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে-ইন এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দুইজনই রোববার টেলিফোনে কথা বলেছেন। আগামী ১২ জুন সিঙ্গাপুরে ট্রাম্পের সঙ্গে কিমের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

পরমাণু অস্ত্র ত্যাগ করতে যুক্তরাষ্ট্র অতিরিক্ত চাপাচাপি করলে উত্তর কোরিয়া ওই বৈঠকে নাও বসতে পারে বলে গত বুধবার হুমকি দেন কিম। এ পরিস্থিতিতে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যবধান কমিয়ে আনতে দক্ষিণ কোরিয়া মধ্যস্থতায় আগ্রহ প্রকাশ করে।

রোববার টেলিফোনে ট্রাম্প ও মুন এ বিষয়ে প্রায় ২০ মিনিট কথা বলেছেন বলে জানিয়েছেন মুনের কার্যালয়ের কর্মকর্তারা। যদিও বিস্তারিত আর কিছু বলেননি তারা।

বিবৃতিতে বলা হয়, “আগামী ১২ জুন উত্তর কোরিয়া-যুক্তরাষ্ট্র সফল সম্মেলন আয়োজনে দুই নেতা খুবই ঘনিষ্ঠ এবং অবিচলভাবে কাজ করছেন। দক্ষিণ কোরিয়া-যুক্তরাষ্ট্র আসন্ন সম্মেলন সফল করতেও তারা কথা বলেছেন।”

আগামী মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করবেন মুন। গত ২৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক বৈঠকে শত্রুতা ভুলে কোরীয় উপদ্বীপকে পরমাণু অস্ত্র মুক্ত করতে একমত হয় দুই কোরিয়া। তারপর থেকে উত্তর কোরিয়ার আচরণে নাটকীয় পরিবর্তন দেখা দেয়। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, তারা তাদের পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা ক্ষেত্র বন্ধ করে দেওয়ার কাজও শুরু করে।

কিন্তু গত বুধবার থেকে আবারও উত্তর কোরিয়া অতীতের সুরে কথা বলতে শুরু করেছে।

ওইদিন ট্রাম্পের সঙ্গে কিমের বৈঠক বাতিলের হুমকির পরদিন দেশটির প্রধান মধ্যস্থতাকারী রি সন গওন বলেন, তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনা করবেন না। মূলত যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়া যৌথ আকাশ মহড়া ‘ম্যাক্স থান্ডার’ নিয়ে উত্তর কোরিয়া আপত্তি জানিয়েছে।

এছাড়াও, দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের কাছে উত্তর কোরিয়ার কয়েকজন নারী রেস্তোরাঁ কর্মীকেও ‘অবিলম্বে’ ফেরত চাওয়া হয়েছে। ওই রেস্তোরাঁ কর্মীরা ২০১৬ সালে চীন থেকে দক্ষিণ কোরিয়া যান। উত্তরের দাবি দক্ষিণ কোরিয়া তাদের অপহরণ করেছে।

sentbe-top