cosmetics-ad

৩০ অক্টোবরের পর যেকোনো দিন নির্বাচনের তফসিল

election-building

একাদশ সংসদ নির্বাচনের ক্ষণগণনা শুরুর পর যেকোনো দিন তফসিল ঘোষণার জন্য নির্বাচন কমিশন প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন কমিশনের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। গতকাল আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

ইসি সচিব বলেন, ৩০ অক্টোবরের পর কাউন্টডাউন শুরু হয়ে যাবে। ৩০ অক্টোবরের পর যেকোনো সময় নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা হতে পারে। নির্বাচন কমিশন এ নিয়ে কমিশন সভায় সিদ্ধান্ত নেবে। ৩০ অক্টোবর থেকে ২৮ জানুয়ারির মধ্যে সংসদ নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

প্রসঙ্গত, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুযায়ী সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে।

সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদের দফা ৩-এ (সংসদ-সদস্যদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে) বলা হয়েছে- (ক) মেয়াদ-অবসানের কারণে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার ক্ষেত্রে ভাংগিয়া যাইবার পূর্ববর্তী নব্বই দিনের মধ্যে; এবং  (খ) মেয়াদ-অবসান ব্যতীত অন্য কোন কারণে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার ক্ষেত্রে ভাংগিয়া যাইবার পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে।

বর্তমান সংসদের প্রথম অধিবেশন হয়েছিল ২০১৪ সালের ২৯ জানুয়ারি। সে হিসাবে বর্তমান সরকারের মেয়াদ ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারি শেষ হবে। আর ভোটের ৯০ দিন গণনা শুরু হবে ৩০ অক্টোবর থেকে। এ হিসাবে ৩০ অক্টোবর থেকে ২৮ জানুয়ারির মধ্যে একাদশ সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।

এর আগে ইসি সচিব ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে ভোটের সম্ভাব্য সময় ধরে কমিশনের সব ধরনের প্রস্তুতি এগিয়ে চলছে বলে জানিয়েছিলেন। গতকাল তিনি কমিশনের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানান।

হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, জাতীয় নির্বাচন অনেক বড় একটি কাজ। আমি আগেও বলেছি তফসিল ঘোষণার আগে যেসব কাজ থাকে তার ৮০ শতাংশ শেষ হয়েছে। তফসিল ঘোষণার পর ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের তালিকা প্রণয়ন এবং তাদের যথাযথ প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

তিনি বলেন, সংসদ নির্বাচনে ৪০ হাজার ভোটকেন্দ্রে প্রায় দুই লাখ ভোটকক্ষ থাকবে। এক্ষেত্রে ৪০ হাজার প্রিসাইডিং অফিসারসহ সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার নিয়ে কয়েক লাখ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার প্রয়োজন হতে পারে। ভোটগ্রহণের ২৫ দিন আগে ভোটকেন্দ্রের তালিকা চূড়ান্ত করে গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে এবং আগামী সংসদ নির্বাচনের জন্য তা কার্যকর হবে।