sentbe-top

শীতে কাঁপছে কানাডা আর রোদে পুড়ছে অস্ট্রেলিয়া

temperature-canada-and-australiaবিশ্বের এক প্রান্তে তীব্র শীত আর অপর প্রান্তে তীব্র দাবদাহ। পৃথিবীর এই আবহাওয়ার বৈচিত্র্যতা নতুন কিছু না হলেও এবার রেকর্ড পরিমাণ তাপমাত্রার কারণে জনজীবনে পড়েছে বিরূপ প্রভাব। আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা বলছেন, ‘পৃথিবীর জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অতি ঠাণ্ডা বা অতি গরমের মত অবস্থা সৃষ্টি হচ্ছে।’

বর্তমানে পৃথীবির উত্তর-পশ্চিমের দেশ কানাডা ও দক্ষিণ-পূর্বের দেশ অস্ট্রেলিয়ায় সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থা চলছে। কানাডায় হাড়কাপাঁনো শীত আর অস্ট্রেলিয়ায় অসহ্য গরমে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। দুই দেশের সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র এ প্রতিবেদনে তুলে ধরা হল-

কানাডা: শীতের দেশ হিসেবে পরিচিত হলেও এবার বছরের শুরুতেই মাইনাস ৪৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার রেকর্ড হয়েছে। যা বিশ্বের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। ২ জানুয়ারি দেশটির কুইবেকের লা গ্রান্ডেতে সর্বনিম্ন এ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

তীব্র শীত ও তুষারের কারণে দেশটিতে এ পর্যন্ত অসংখ্য ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। ফ্লাইট অ্যাওয়ার নামে একটি পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা জানিয়েছে, শুধু টরন্টো বিমানবন্দরেই প্রায় ৫০০ ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। জনসাধারণকে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের না হওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়া: গত রোববার, ৭ জানুয়ারি অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের রাজধানী সিডনিতে বিশ্বের সর্বোচ্চ গরমের রেকর্ড করা হয়েছে। সেখানে ৪৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। দেশটির আবহাওয়া ব্যুরোর তথ্য মতে, সিডনির গত ৮০ বছরের রেকর্ড ভেঙে এবারই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

এদিকে দ্য সিডনি মর্নিং হেরাল্ড জানিয়েছে, তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় প্রচণ্ড গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ছে মানুষ। ঠাণ্ডা সুপেয় পানির চাহিদা বেড়ে গেছে বহুগুন। শুধু সিডনিতেই পানির চাহিদা প্রায় ২০০ কোটি লিটার ছাড়িয়েছে। এছাড়া অনেকে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

দেশটির আবহাওয়াবিদদের ধারণা, দিন দিন জলবায়ু বদলে যাওয়ার কারণে ক্রমেই তাপমাত্রা বাড়ছে। এভাবে বাড়তে থাকলে আগামী কয়েক দশকের মধ্যে দেশটিতে তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যেতে পারে।

sentbe-top