
ফাইল ছবি
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘এবারের ভোট ও গণভোট সফলভাবে করতেই হবে। যে যাই বলুক না কেন, ১২ ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন হবে। এবারের নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে হয় এই দায়িত্ব সরকার, নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক দল- আমাদের সবার। এ ব্যাপারে সব রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা কামনা করছি।’
রবিবার (১৮ জানুয়ারি) রাতে যমুনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধিদলের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
বৈঠকে জামায়াত নেতারা জানান, আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে পূর্ণোদ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে। ইতিমধ্যেই তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে, যা ২২ জানুয়ারি থেকে অন্যান্য প্রচারণার সঙ্গে সমান্তরালভাবে চলবে।
প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে উল্লেখ করেন, অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসানো হবে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বডি ক্যামেরা থাকবে এবং সব ফুটেজ কন্ট্রোল রুম থেকে মনিটর ও রেকর্ড করা হবে, যাতে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটামাত্রই ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
ড. ইউনূস নির্বাচনের সময় স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধ নিরসন এবং অভিযোগ প্রক্রিয়া সহজ করতে হটলাইন চালু করার কথাও জানান। তিনি সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্বাচন সফল করার আহ্বান জানান এবং বলেন, জয়-পরাজয় নির্বিশেষে দেশের স্বার্থে সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে।
বৈঠকে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ নায়েবে আমির, সেক্রেটারি জেনারেল ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলরা অংশ নেন। এছাড়া প্রধান উপদেষ্টার পরিকল্পনা ও মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত উপদেষ্টারা উপস্থিত ছিলেন।




































