
ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) ৯০তম বৈঠক আজ বৃহস্পতিবার থেকে ভারতের কলকাতায় শুরু হচ্ছে। তিন দিনব্যাপী এই বৈঠক আগামী শনিবার পর্যন্ত চলবে। বৈঠকে অংশ নিতে বাংলাদেশের ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দল বুধবার কলকাতায় পৌঁছেছে।
বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন যৌথ নদী কমিশনের সদস্য মোহাম্মদ আনোয়ার কাদীর। দলে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরাও রয়েছেন। এছাড়া দিল্লি ও কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশ মিশনের কর্মকর্তারাও বৈঠকে যোগ দেবেন।
ভারতের পক্ষ থেকে দেশটির কেন্দ্রীয় পানিসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের এক যুগ্ম সচিব এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সেচ দফতরের এক প্রধান প্রকৌশলী বৈঠকে নেতৃত্ব দেবেন।
এবারের বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় হচ্ছে ১৯৯৬ সালের গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির পুনর্নবীকরণ। চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর ৩০ বছর মেয়াদি ওই চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে এটিই দুই দেশের যৌথ নদী কমিশনের শেষ বৈঠক।
বৈঠকের শুরুতে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল মুর্শিদাবাদের ফারাক্কা ব্যারেজ এলাকায় গিয়ে গঙ্গা নদীর পানির প্রবাহ পরিমাপ করবেন। পরে তারা কলকাতায় ফিরে মূল বৈঠকে অংশ নেবেন।
১৯৯৬ সালের চুক্তি অনুযায়ী, শুষ্ক মৌসুমে গঙ্গার পানির প্রবাহের পরিমাণ অনুযায়ী ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পানি বণ্টনের বিধান রয়েছে। পানির প্রবাহ ৭৫ হাজার কিউসেকের বেশি হলে ভারত ৪০ হাজার কিউসেক পানি পাবে এবং অবশিষ্ট অংশ পাবে বাংলাদেশ। প্রবাহ ৭০ থেকে ৭৫ হাজার কিউসেকের মধ্যে থাকলে বাংলাদেশ ৪০ হাজার কিউসেক পাবে। আর পানির প্রবাহ ৭০ হাজার কিউসেক বা তার কম হলে দুই দেশ সমানভাবে পানি ভাগ করে নেবে।









































