
ফাইল ছবি
গ্রামীণ রাস্তায় গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণের জন্য ইসলামী বন্ড সুকুকের বিপরীতে পাঁচ হাজার ৯০০ টাকা নিয়েছে সরকার। এ বন্ড কিনতে নির্ধারিত নিলামে ৭২ হাজার ৫৯৮ কোটি টাকার আবেদন জমা পড়েছে, যা ঘোষিত পরিমাণের তুলনায় ১২ দশমিক ৩০ গুণ বেশি।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, পল্লী সড়কে গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্পের জন্য বুধবার সরকারের অষ্টম সুকুক নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব সফটওয়্যার ‘শরিয়াহ সিকিউরিটিজ মডেল (এসএসএম)’ ব্যবহার করে এ নিলাম পরিচালনা করা হয়।
সাত বছর মেয়াদি এ ভাড়াভিত্তিক সুকুকে বিনিয়োগকারীরা বার্ষিক ১০ দশমিক ৪০ শতাংশ মুনাফা পাবেন। নিলামে শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, প্রচলিত ধারার ব্যাংকের ইসলামিক উইন্ডো, ব্যক্তি বিনিয়োগকারী, প্রভিডেন্ট ও মিউচুয়াল ফান্ড অংশ নেয়। চাহিদা বেশি হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আনুপাতিক হারে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ব্যক্তি বিনিয়োগকারী, প্রভিডেন্ট ফান্ড, মিউচুয়াল ফান্ড ও ডিপোজিট ইন্স্যুরেন্সসহ বিভিন্ন শ্রেণিতে এক হাজার ১১টি আবেদনের বিপরীতে ৪৪১ কোটি ৬২ লাখ টাকার সুকুক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কয়েকটি ইসলামী ব্যাংকের দুরবস্থা ও আস্থাসংকটের কারণে নিরাপদ শরিয়াহভিত্তিক বিনিয়োগ হিসেবে সুকুকের প্রতি আগ্রহ বেড়েছে। বিশেষ করে এক্সিম ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক একীভূত হওয়ার পরও খাতে বড় অঙ্কের খেলাপি ঋণ রয়ে গেছে। ফলে অনেক বিনিয়োগকারী এখন সুকুকের দিকে ঝুঁকছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, সুকুকের মাধ্যমে সরকার উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়নের পাশাপাশি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য বিকল্প বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করতে পেরেছে। এছাড়া এ বন্ডের বিপরীতে বিধিবদ্ধ তারল্য সংরক্ষণ এবং বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে তারল্য সহায়তাও নেওয়া যায়।











































