cosmetics-ad

১ মার্কিন ডলার = ৩৫,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০ ডলার

dillar

আপনি কোটিপতি হতে চান। কেবল কোটিপতি নয়, হাজার হাজার কোটির (কোয়াড্রিলিয়ন) মালিকও বনে যেতে পারেন এখনই। কেবল একট মার্কিন ডলার থাকলেই হবে। না, আলাদিনের চেরাগের প্রয়োজন নেই। এক মার্কিন ডলারের বিনিময়ে আপনি পেতে পারেন ৩৫,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০ ডলার। তবে সেটা হবে জিম্বাবুয়ের ডলার।

রিজার্ভ ব্যাংক অব জিম্বাবুয়ের (আরবিজেড) গভর্নর জন মঙ্গুদা বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, আগামী সোমবার থেকে এই বিনিময় হার প্রযোজ্য হবে। জিম্বাবুয়ের মানুষ ৩৫,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০ ডলারের বিনিময়ে ১ মার্কিন ডলার পাবে।

আরবিজেডের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ বিনিময় হার অব্যাহত থাকবে। বাজার থেকে স্থানীয় মুদ্রা উঠিয়ে নিতে এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

২০০৮ সালে ওই মুদ্রা বাজারে ছেড়েছিল আরবিজেড। তখন ১০০ ট্রিলিয়ন (১০০ লাখ কোটি) জিম্বাবুইয়ান ডলারের বিনিময়ে মাত্র এক সপ্তাহ পাবলিক বাসে চলাচল করা যেত!
আরবিজেডের পক্ষ থেকে আরো জানানো হয়েছে, যাদের কাছে এর আগের মুদ্রা রয়েছে তারাও ওগুলো জমা দিতে পারবে। ওগুলোর ক্ষেত্রে ২৫০ ট্রিলিয়ন ডলারের (২৫০ লাখ কোটি) বিনিময়ে পাওয়া যাবে ১ মার্কিন ডলার!

জিম্বাবুয়ের মুদ্রা ব্যবস্থায় এই ধসের শুরু হয় ২০০৮ সালে। ওই সময় অস্বাভাবিক মুদ্রাস্ফীতির কারণে জিম্বাবুইয়ান ডলারের মান ৫০০ বিলিয়ন শতাংশ কমে যায়।

দেশটির জনগণকে তখন থেকেই রুটি ও দুধের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য কিনতে ব্যাগভর্তি মুদ্রা নিয়ে যেতে হতো! এমনকি দিনে দুইবারের মতো দরপতনের ঘটনাও দেশটিতে অহরহ ঘটেছে।
এরপর ২০০৯ সালে মুগাবে সরকার দেশটির বাজারে মার্কিন ডলার ও দক্ষিণ আফ্রিকান র‌্যান্ডের মতো বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহার শুরু করে।

জিম্বাবুয়ের ডলারের আরেকটি ব্যবহার আছে। অনেকেই এই ডলার সুভেনির হিসেবে সংগ্রহ করে রাখে।