ইতিহাসে প্রথম বারের মতো জাসিংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলো মহাসচিব হওয়ার দৌড়ে নামা প্রার্থীদের প্রশ্ন করার সুযোগ পাচ্ছেন। পৃথিবীর সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এ কুটনৈতিক পদটিতে স্বচ্ছতা আনতে এতাদিন ধরে চলে আসা গোপনভাবে প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া বদলে নতুন এ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে। আর এ দৌড়ে নামছেন আটজন প্রার্থী। খবর আল জাজিরা।
এ আট প্রার্থী জাতিসংঘের সাধারণ সভায় মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার টাউন হল বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন। এতে নিজেদের অর্জন, প্রত্যাশা, কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপনের পাশাপাশি দুই ঘন্টার প্রশ্নোত্তর পর্বে মুখোমুখি হবেন তারা। গত বছর সাধারণ সভায় সদস্য রাষ্ট্ররা বর্তমান মহাসচিব বান কি মুনের উত্তরসূরী বেছে নেয়ার প্রক্রিয়ায় আরো স্বচ্ছতা আনার দাবী তুলেছিলেন। এ দাবীর প্রেক্ষিতেই সংস্থাটি এ সিদ্ধান্ত নেয়।
১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদ ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রকে একজন প্রার্থী সুপারিশ করবেন। এরপর রাষ্ট্রগুলো তাতে ভোট দেবেন। অবশ্য ভেটো দেয়ার ক্ষমতাপ্রাপ্ত যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ব্রিটেন, চীন ও ফ্রান্স- সবার এতে সায় লাগবে। পরিবর্তনের অংশ হিসেবে এবার প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র ও সিভি উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে।
এবার মনোনয়ন পাওয়া আট প্রার্থীর অর্ধেকই নারী। ধারণা করা হচ্ছে বান কি মুনের উত্তরসূরী হিসেবে প্রথমবারের মতো এ পদে একজন নারীই আসীন হবেন। নারী প্রার্থীরা হলেন- ইউনেস্কোর মহাপরিচালক ইরিনা বোকোভা (বুলগেরিয়া), ক্রোয়েশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রীভেসনা পুসিচ, মলদোভার সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রী নাটালিয়া ঘেরমেন এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন প্রকল্পের প্রধান ও নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হেলেন ক্লার্ক। এছাড়া অন্য প্রার্থীরা হলেন- ম্যাকাডোনিয়ার সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রী স্রেজান কেরিম, মন্টেনিগ্রোর পররাষ্ট্র মন্ত্রীইগর লুকসিচ, স্লোভেনিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট দানিলো টার্ক ও জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার হাই কমিশনার ও সাবেক পর্তুগীজ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্তোনিও গুতেরেস।









































