cosmetics-ad

সীমান্তের ওপারের ধোঁয়া দেখা যায়

 

30myanmar-photo1-articlelarge

টেকনাফে মিয়ানমার সীমান্তে নাফ নদ। এর পাড়েই উলুবনিয়া গ্রাম। ওই গ্রাম থেকে মিয়ানমারের ওপারে পাঁচ কিলোমিটার পর্যন্ত দেখা যায়। ওই গ্রামের এক বাসিন্দা জানালেন, সীমান্তের ওপারে দেখা যায় দিনের বেলায় ধোঁয়া উঠছে। গ্রামের বাসিন্দাদের ধারণা, সেখানে বসতবাড়িতে আগুন দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ সীমান্তের ওপাড়েই মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য। আরাকান রোহিঙ্গা ন্যাশনাল অর্গানাইজেশনের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম ওই রাজ্যকে নরকের সঙ্গে তুলনা করে বলেছেন, ‘সেখানে গত প্রায় দেড় মাস ধরে চলা নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে প্রায় সাড়ে তিনশো মানুষ নিহত হয়েছে।’

উলুবনিয়া গ্রামের বাসিন্দা হারুনুর রশিদ শিকদার বিবিসি বাংলাকে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানান। তিনি মাছের ব্যবসা করেন। হারুনুর রশিদ জানান, দিনের বেলায় সীমান্তের ওপারে ধোঁয়া উড়তে দেখা যায়। তাঁর ধারণা বসত বাড়িতে আগুন দেওয়ার কারণেই ধোঁয়া উড়তে দেখা যায়। তিনি আরো জানালেন, মাঝে মাঝে হেলিকপ্টারও উড়ে যায় ওপাড়ের আকাশে। বিবিসির ওই প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর অভিযানের ভয়ে পালিয়ে প্রায় প্রতিদিনই বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করছে রোহিঙ্গারা। টেকনাফের স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সীমান্তরক্ষীদের কড়া প্রহরা থাকার পরও গোপনে তাদের প্রবেশের চেষ্টা অব্যাহত আছে। এদিকে সীমান্তে ‘পুশব্যাক’ও অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ। গত শুক্রবার ১২৫ জনকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। হারুনুর রশিদ জানান, কিছু লোক বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) ফাঁকি দিয়ে বাংলাদেশে আসার চেষ্টা করছে। বিজিবি কঠোর প্রহরায় আছে। তারপরও রাতের অন্ধকারে ফাঁক ফোকর দিয়ে কিছু লোক ঢুকে যাচ্ছে। হারুনুর রশিদ আরো জানান, ব্যবসায়ের কারণে যারা বাংলাদেশে আসে তাদের কাছ থেকে জানা যায় বাড়িঘরে আগুন দেওয়া হচ্ছে মিয়ানমারে, কিছু লোককে টার্গেট করে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ধর্ষণের শিকার হচ্ছে নারীরা।