
বাসস এর সৌজন্যে
চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় আশুলিয়ায় ছয় জনের লাশ পোড়ানো এবং অন্য একজনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলামসহ ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
এছাড়া সাতজনকে যাবজ্জীবন, দুইজনের সাত বছরের কারাদণ্ড ও রাজসাক্ষী এএসআই শেখ আবজালুল হককে খালাস দেওয়া হয়েছে। এই মামলায় আসামির সংখ্যা ১৬।
সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলাম ছাড়া মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- পুলিশের সাবেক ডিআইজি নুরুল ইসলাম ও সাবেক পুলিশ পরিদর্শক এএফএম সায়েদ রনি, এএসআই আব্দুল মালেক, রনি ভূঁইয়া ও বিশ্বজিৎ সাহা।
অন্যদিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হচ্ছেন- সাবেক এসপি আসাদুজ্জামান, আব্দুল্লাহিল কাফি, এএসপি শহিদুল ইসলাম, মাসুদুর রহমান, নির্মল কুমার দাস ও আরাফাত হোসেন আরজু।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ রায় ঘোষণা করেন।ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
রায়ে সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলামের সকল সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ভুক্তভোগী পরিবারের মধ্যে বন্টনের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান দমনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তৃতীয় রায়।
মামলায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আব্দুল্লাহিল কাফি, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলাম, ডিবির তৎকালীন পরিদর্শক আরাফাত হোসেন, এসআই মালেক, এসআই আরাফাত উদ্দিন, এএসআই কামরুল হাসান, এসআই শেখ আবজালুল হক ও কনস্টেবল মুকুল।
পলাতক আট আসামি হলেন— ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক এমপি মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, ঢাকা রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, সাবেক পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান রিপন, আশুলিয়া থানার তৎকালীন ওসি এএফএম সায়েদ রনি, সাবেক পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, সাবেক পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) নির্মল কুমার দাস, সাবেক এএসআই বিশ্বজিৎ সাহা ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা রনি ভূঁইয়া।







































