
বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে স্বনামধন্য ম্যাগাজিন ‘টাইম’। চলতি বছরের এই মর্যাদাপূর্ণ তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
টাইম ম্যাগাজিনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দীর্ঘ নির্বাসন কাটিয়ে বাংলাদেশের মূলধারার রাজনীতিতে তারেক রহমানের নাটকীয় প্রত্যাবর্তন এবং সাম্প্রতিক সময়ে তার নেতৃত্বে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন তাকে এই বৈশ্বিক তালিকায় জায়গা করে দিয়েছে।
এই বছরের তালিকায় ‘লিডারস’ বা নেতা ক্যাটাগরিতে স্থান পেয়েছেন তারেক রহমান। তারেক রহমান ছাড়াও এ বছরের তালিকায় বৈশ্বিক নেতৃবৃন্দ ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে রয়েছেন— পোপ লিও চতুর্দশ, মার্ক কার্নি, মেটে ফ্রেডেরিকসেন, ক্লাউদিয়া শেইনবাউম, নেতুম্বো নন্দী-এনদাইতওয়াহ, শি জিনপিং, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, রাফায়েল মারিয়ানো গ্রোসি, সানায়ে তাকাইচি, বালেন্দ্র শাহ এবং হেনা ভিরক্কুনেন।

এছাড়া, এ বছরের তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও নেতাদের মধ্যে রয়েছেন— ডোনাল্ড ট্রাম্প, গ্যাভিন নিউসম, মার্কো রুবিও, মার্ক কেলি, জোহরান মামদানি, জ্যাকব ফ্রে, স্টিভ উইটকফ, সুজি ওয়াইলস এবং ড্যান কেইন।
তারেক রহমানের প্রোফাইলে টাইম ম্যাগাজিন উল্লেখ করেছে, কয়েক মাস আগেও তিনি দক্ষিণ-পশ্চিম লন্ডনে নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছিলেন। তবে ২০২৪ সালে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর তিনি বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব থেকে জাতীয় নেতৃত্বের কেন্দ্রে উঠে আসেন এবং ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনী বিজয়ের মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন করেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, তাঁর মা খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক পথ অনুসরণ করে তিনি নেতৃত্বে আসেন এবং মায়ের মৃত্যুতে ব্যক্তিগত শোককে দেশের ঐক্য ও অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের কাজে ব্যবহারের কথা জানান।
এছাড়া উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব এবং আঞ্চলিক সম্পর্কসহ নানা চ্যালেঞ্জের কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তারেক রহমানের বক্তব্য উদ্ধৃত করে টাইম জানায়, তিনি ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।
প্রতি বছর বিশ্বের রাজনীতি, অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও সমাজ ব্যবস্থায় যারা সবচেয়ে বেশি ইতিবাচক বা উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেন, তাদের সম্মান জানাতে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়।
টাইম-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেসিকা সিবলি বলেছেন, “২০২৬ সালের ‘টাইম১০০’ তালিকা বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের স্বীকৃতি দেয়—যারা নেতা, উদ্ভাবক এবং পরিবর্তনের কারিগর হিসেবে ভবিষ্যৎকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করছেন। আমরা গর্বিত যে, আমাদের অসাধারণ অংশীদারদের সঙ্গে নিয়ে এ বছরের ‘টাইম১০০’ সামিট ও গালায় এই বৈশ্বিক সম্প্রদায়কে একত্র করতে পারছি, যাতে তাদের প্রভাবকে আলোকিত করা যায়।”



































