
ফাইল ছবি
দেশের অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমে যাওয়ায় নতুন করে ভ্যাপসা গরম বেড়েছে। তীব্র গরমে জনজীবনে এক ধরনের অস্বস্তি নেমে এসেছে, যা আজ রোববার আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
তবে এই গরমের মাঝেই স্বস্তির খবর দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৫ জুন থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু টেকনাফ উপকূল পর্যন্ত অগ্রসর হতে পারে, যার প্রভাবে ৫ জুন থেকে দেশজুড়ে আবারও বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে শুরু করবে। মৌসুমী বায়ুর এই সক্রিয়তার কারণে চলতি সপ্তাহের মাঝামাঝিতে দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে চলমান ভ্যাপসা গরম অনেকটাই প্রশমিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়াবিদ শাহীনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, সামগ্রিকভাবে বর্তমানে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কিছুটা কমলেও দেশের কোথাও কোথাও কমবেশি বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ৫ জুন থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের টেকনাফ উপকূল পর্যন্ত চলে আসলে দেশজুড়ে বৃষ্টিপাতের বেগ ও স্থায়িত্ব আরও বাড়বে।
এদিকে, শনিবার সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশের মধ্যে রাঙ্গামাটিতে সর্বোচ্চ ৩৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টি হলেও রাজধানীতে এর পরিমাণ ছিল এক মিলিমিটারেরও কম। শনিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে খুলনার কয়রায়, ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং রাজধানী ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আকাশ মেঘমুক্ত থাকা এবং বাতাসে জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে ঢাকাসহ দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ভ্যাপসা গরম তীব্র আকার ধারণ করেছে। আবহাওয়া দপ্তরের নিয়মিত পূর্বাভাসে সতর্ক করে বলা হয়েছে, আগামীকাল রোববার দেশের তাপমাত্রা আরও এক দফা বৃদ্ধি পেতে পারে, যার ফলে আগামী ৫ জুনের বৃষ্টিপাতের আগ পর্যন্ত এই গরমের অনুভূতি এখনই কমছে না।










































