সোমবার । জুন ১, ২০২৬
বাংলা টেলিগ্রাফ ডেস্ক দেশজুড়ে ১ জুন ২০২৬, ১০:০৩ অপরাহ্ন
শেয়ার

আমির হামজার পরিবারের ওপর হামলা, আহত ২


amir-hamja

ছবি: সংগৃহীত

কুষ্টিয়া থেকে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার পরিবারের ওপর অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১ জুন) আসরের নামাজের সময় জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ বাজারে এই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে।

হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন মুফতি আমির হামজার শালা ও দৈনিক কালবেলার জীবননগর প্রতিনিধি আবু বক্কর এবং তাঁর ব্যক্তিগত গাড়িচালক সাদ্দাম হোসেন। ঘটনার পরপরই এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং খবর পেয়ে জীবননগর থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। বর্তমানে এমপি মুফতি আমির হামজাসহ তাঁর পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তার স্বার্থে জীবননগর থানায় অবস্থান করছেন।

হামলার শিকার ও প্রত্যক্ষদর্শী আবু বক্কর ঘটনার বিবরণ দিয়ে জানান, কুষ্টিয়া থেকে সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা একটি গাড়িতে এবং তাঁর বোনসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা আরেকটি গাড়িতে করে জীবননগর যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে হাসাদাহ বাজারে পৌঁছালে একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক তাদের গাড়িটির গতিরোধ করে। এ সময় বারবার হর্ন দেওয়া সত্ত্বেও ইজিবাইকটি রাস্তা থেকে না সরালে এমপির গাড়ির চালক নেমে ইজিবাইক চালকের সাথে কথা বলেন।

ইজিবাইক চালক নিজের ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করলেও হঠাৎ করেই রাস্তার বিপরীত দিক থেকে এসে কয়েকজন অজ্ঞাত যুবকের সাথে হাসাদাহ বাজারের বাসিন্দা মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক এবং তার দুই ছেলে শাহরিয়ার ও রিমন তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। একপর্যায়ে আবু বক্কর নিজেকে এমপি আমির হামজার শালা হিসেবে পরিচয় দিলে হামলাকারীরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং গাড়ি থেকে এমপির বোন নেমে আসলে তাকে ও মুফতি আমির হামজাকে উদ্দেশ্য করে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করা হয়।

এই বিষয়ে জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান সেখ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সংবাদমাধ্যমকে জানান, মহাসড়কে বিশৃঙ্খলা ও হামলার খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশের একটি বিশেষ টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি বর্তমানে এমপি সাহেবসহ তাঁর পরিবারের সকল সদস্যরা সশরীরে জীবননগর থানায় নিরাপদে অবস্থান করছেন।

এই হামলার ঘটনায় জড়িত মোস্তাক, শাহরিয়ার ও রিমনসহ বাকি অভিযুক্তদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযান শুরু করেছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।