
ফাইল ছবি
পাকিস্তানের বিপক্ষে সেই রোমাঞ্চকর সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচের স্মৃতি এখনো তরতাজা। ঠিক একই সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে এবার বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড। প্রথম দুই ওয়ানডে শেষে সিরিজে ১-১ সমতা থাকায় চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আজকের ম্যাচটি রূপ নিয়েছে এক ‘অঘোষিত ফাইনালে’। ট্রফি কার ঘরে যাবে, তার উত্তর মিলবে সাগরিকায় আজকের লড়াই শেষে।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে হারলেও দ্বিতীয় ওয়ানডেতে দাপুটে জয়ে সিরিজে ফিরেছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল। মানসিকভাবে দল এখন বেশ চাঙা। পেস বোলিং কোচ শন টেইটের মতে, জয়ের ধারাবাহিকতা দলের ভেতরে স্বস্তি ও আত্মবিশ্বাস দুই-ই বাড়িয়ে দিয়েছে। যদিও সিরিজ জয়ের বাড়তি চাপ থাকে, তবে সেই চাপকে ইতিবাচকভাবে দেখছে টিম ম্যানেজমেন্ট।
মিরপুরের মন্থর উইকেট ছেড়ে দল এখন বন্দরনগরী চট্টগ্রামে। এখানকার স্টেডিয়াম সাধারণত ব্যাটিং-সহায়ক হিসেবে পরিচিত। উইকেট পর্যবেক্ষণ করে শন টেইট জানিয়েছেন, এবারের উইকেট যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি ভালো মনে হচ্ছে। কিউইদের তরুণ দলটির জন্য এখানকার কন্ডিশন ও উইকেট বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে, কারণ তাদের দলের অনেকেরই বাংলাদেশে খেলার অভিজ্ঞতা খুব সীমিত। কিউই প্রতিনিধি উইলিয়াম ও’রকও স্বীকার করেছেন, নতুন কন্ডিশনের সাথে মানিয়ে নেওয়াই তাদের প্রধান লক্ষ্য।

বাংলাদেশ দলের বড় দুশ্চিন্তার নাম ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতার অভাব। গত ম্যাচে ব্যক্তিগত কিছু পারফরম্যান্সে জয় এলেও কোচ চান টপ অর্ডার থেকে লোয়ার অর্ডার পর্যন্ত সবাই যেন দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেন। টেইটের ভাষায়, “সবাই চায় ব্যাটিং গ্রুপ সব সময় ভালো করুক। শেষ ম্যাচে আমরা কিছু ভালো ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স দেখেছি, এখন প্রয়োজন সেই ধার বজায় রাখা।”
আজকের ম্যাচে যারা জিতবে, সিরিজ হবে তাদেরই। একদিকে ঘরের মাঠে সিরিজ জয়ের দারুণ সুযোগ বাংলাদেশের সামনে, অন্যদিকে তরুণ কিউই দলের জন্য এটি নিজেদের প্রমাণের বড় মঞ্চ। সাগরিকায় শেষ হাসি কে হাসবে, তার জন্য অপেক্ষা আর কয়েক ঘণ্টার।










































