ফিনল্যান্ডের স্কুলে উঠে যাচ্ছে হাতের লেখা

finlandফিনল্যান্ডের স্কুলগুলোতে হাতে লেখা শেখানো বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। ২০১৬ সাল থেকে দেশটির স্কুলগুলোতে ছেলে-মেয়েদের আর হাতে লিখতে হবে না, হাতের লেখা শেখানোও হবে না। পরিবর্তে তাদের টাইপিং শেখানো হবে। ফিনল্যান্ডের স্যাভন স্যানোমাট পত্রিকা এ খবর দিয়েছে।

তবে এর ভালো-মন্দ নিয়ে ফিনল্যান্ডে ব্যাপক বিতর্ক চলছে। অনেকে মনে করেন, হাতের লেখা চর্চার মাধ্যমে শিশুদের ফাইন মটর স্কিল এবং বুদ্ধির বিকাশ ঘটে। কেউ কেউ হাতের লেখার পরিবর্তে এজন্যে নানা ধরণের হস্ত শিল্প এবং ড্রয়িং শেখানোর পরামর্শ দিচ্ছেন।

ফিনল্যান্ডের ন্যাশনাল বোর্ড অব এডুকেশনের কর্মকর্তা মিনা হারম্যানেন জানিয়েছেন, টাইপিং শেখাটা খু্বই গুরুত্বপূর্ণ। নিত্যদিনের কাজে এটা দরকার হয়। এজন্যেই তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে তিনি স্বীকার করেন, হাতের লেখা তুলে দিয়ে পুরোপুরি টাইপিং এ চলে যাওয়াটা একটা বিরাট পরিবর্তন।

দেশীয় ভাষা শিক্ষক সমিতির উপ-সভানেত্রী সুসানা হুটা বলেন, “যেসব শিশুর বাড়িতে কম্পিউটার নেই তাদের জন্য এটা অসুবিধা ঘটাবে। যেসব স্কুলে পর্যাপ্ত কম্পিউটার নেই সেখানেও অসুবিধা তৈরি হবে। বড় হাতের ও ছোট হাতের অক্ষরের পার্থক্য শেখানোটাও জরুরি।”

সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকে মন্তব্য করেছেন যে হাতের লেখা শেখানো এ যুগে অর্থহীন। এটেলা সাইমা নামে একজন মন্তব্য করেছেন ,“হাতের লেখা শেখার কোন দরকার আছে বলে আমার মনে হয় না।” সূত্র: বিবিসি