sentbe-top

পিছু হটল অলিম্পিক কমিটি; ইরান ও উত্তর কোরিয়ার ক্রীড়াবিদরাও পাবেন স্যামসাং স্মার্টফোন

ব্যাপক প্রতিবাদের মুখে অবশেষে পিছু হটেছে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি। ওই কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অন্যান্য দেশের ক্রীড়াবিদদের মতো ইরানিদেরকেও স্যামসাং’র নতুন মোবাইল দেয়া হবে। মোবাইলগুলো তারা নিজ দেশেও নিয়ে যেতে পারবেন।

তবে উত্তর কোরিয়ার ক্রীড়াবিদরা মোবাইলগুলো ব্যবহারের পর তা দেশে নিয়ে যেতে পারবেন না। কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে। মোবাইলগুলোতে শীতকালীন অলিম্পিক সংক্রান্ত নানা তথ্য রয়েছে বলে তারা জানিয়েছে।

ইরান সরকার স্যামসাং কোম্পানি ও অলিম্পিক কমিটির বৈষম্যমূলক আচরণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানানোর পর আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করলো।

এদিকে, ইরানের জাতীয় অলিম্পিক কমিটির প্রধান সালেহি আমিরি বলেছেন, বৈষম্যমূলক আচরণের সিদ্ধান্তের কারণে স্যামসাং’র পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাইতে হবে। ক্ষমা না চাইলে তাদের মোবাইল গ্রহণ করবে না ইরানি ক্রীড়াবিদরা।

স্যামসাং কোম্পানির বরাত দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার গণমাধ্যম এর আগে জানিয়েছিল, স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স অলিম্পিকে অংশগ্রহণকারী সব ক্রীড়াবিদ ও আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির কর্মকর্তাদের সরবরাহ করার জন্য প্রায় ৪,০০০ ‘গ্যালাক্সি নোট ৮’ ফোন প্রস্তুত রেখেছে। কিন্তু উত্তর কোরিয়ার ২২ এবং ইরানের চার ক্রীড়াবিদকে এই সুবিধার বাইরে রাখা হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তারা দাবি করেছিলেন, সামরিক কাজে স্মার্টফোন ব্যবহারের যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। কাজেই ইরান ও উত্তর কোরিয়ার কাছে এ ধরনের পণ্য সরবরাহে জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা থাকায় তারা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এ সিদ্ধান্ত ইরানে প্রচণ্ড ক্ষোভ তৈরি হয়। কারণ, স্যামসং ইলেকট্রনিক্সের বিশাল বাজার রয়েছে ইরানে। যে স্মার্টফোন সামরিক কাজে ব্যবহৃত হতে পারে বলে দাবি করা হচ্ছে তা ইরানে অবস্থিত স্যামসং কোম্পানির হাজার হাজার শোরুমে দেদারসে বিক্রি হচ্ছে। ইরানে স্যামসংয়ের আনুষ্ঠানিক দপ্তর রয়েছে এবং তারা গ্রাহককে বিক্রয়োত্তর সেবাও প্রদান করে থাকে। ইরান দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে এনে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানায়। এরপরই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়।

sentbe-top