cosmetics-ad

অ্যাপোলো হাসপাতালে ক্যান্সারের নকল ওষুধ বিক্রি

appolo

রাজধানীর বসুন্ধরায় অবস্থিত বেসরকারি অ্যাপোলো হাসপাতাল চোরাকারবারীদের কাছ থেকে দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সার ও হৃদরোগের নকল ওষুধ কিনছে। গত সোমবার স্বাস্থ্য অধিদফতর, ওষুধ প্রশাসন ও র‌্যাবের যৌথ অভিযানে এই তথ্যের প্রমাণ মিলেছে। র‌্যাব জানিয়েছে, অ্যাপোলো হাসপাতালের ফার্মেসিতে ক্যান্সার ও হৃদরোগের ওষুধসহ ৩০ ধরনের নকল ওষুধ বিক্রি হচ্ছিল।

অ্যাপোলো থেকে উদ্ধার করা ওষুধগুলোর মধ্যে রয়েছে ভারতের ‘বেথান্যাকোল ক্লোরাইড ট্যাবলেট’। র‌্যাব জানায়, বিদেশি ওষুধগুলো স্ব স্ব দেশের আবহাওয়া অনুযায়ী বানানো হয়। এগুলো বাংলদেশে বিক্রির উদ্দেশ্যে আনা হলে ওষুধ প্রশাসনের অনুমতি লাগে।

এদিকে ল্যাবে রোগ নির্ণয়ের জন্য মেয়াদোত্তীর্ণ রি-এজেন্ট (রোগ নির্ণয়ের জন্য রাসায়নিক উপাদান) ব্যবহার এবং ফার্মেসিতে ওষুধ প্রশাসনের অনুমোদনহীন ওষুধ রাখায় সোমবার ইতোমধ্যে এই হাসপাতালকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবারের ওই অভিযানে উপস্থিত ছিলেন ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের কর্মকর্তারা। অভিযানের নেতৃত্ব দিয়েছেন র‌্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম।

সারওয়ার আলম বলেন, ‘সম্প্রতি রাজধানীর নিকুঞ্জ-২ এলাকা থেকে নকল ওষুধ এবং প্যাকেজিং ম্যাটিরিয়ালসহ এক চোরাকারবারী ও নকল ওষুধ বিক্রেতাকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। বিশেষ ক্ষমতা আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়। তার কাছ থেকে জব্দ করা কিছু আলামতের সূত্র ধরে অভিযানটি চালানো হয়।’

র‌্যাব সূত্রে জানা গেছে, ওই চোরাকারবারীর নাম মো. দেলোয়ার হোসেন। যাকে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি গ্রেফতার করে র‌্যাব। তিনি নিম্নমানের ভেজাল ওষুধ সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে স্থল ও আকাশ পথে আমদানি করতেন। সেদিন তার বাড়ি থেকে মোট এক কোটি টাকার ওষুধ জব্দ করা হয়।

র‌্যাব জানায়, দেলোয়ারের কাছ থেকে পলি ফার্মা নামে একটি ওষুধ বিক্রির বিল (রশিদ) উদ্ধার করে র‌্যাব। রশিদে অ্যাপোলো হাসপাতাল কর্তৃক দুটি আমদানি নিষিদ্ধ ওষুধ কেনার কথা লেখা ছিল। সেটি যাচাই-বাছাই করার জন্য অ্যাপোলো হাসপাতালে অভিযানটি চালানোর সিদ্ধান্ত নেয় র‌্যাব। দিনভর অভিযানে সন্দেহের সত্যতা পাওয়া যায়।

প্রসঙ্গত, অ্যাপোলো হাসপাতালের অনুমোদনহীন ওষুধ বিক্রি এবারই প্রথম নয়। ২০১৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর একই অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটিকে ১৬ লাখ টাকা জরিমানা এবং প্রায় ১০ লাখ ওষুধ জব্দ করে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়া একই বছরের ৩ জুলাই এক নবজাতক শিশুর মৃত্যুর দায় চাপে অ্যাপোলোর চিকিৎসকের ওপর। এ ঘটনায় সেসময় রাজধানীর ভাটারা থানায় ৩০৪ (ক) ধারায় অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা করে ওই শিশুর পরিবার।

Mobile Court operation at Apollo Hospital, Dhaka পাওয়া গেল নকল ঔষধ আর মেয়াদোত্তীরণ রিএজেন্টকোথায় যাবে রোগীরা ? দেশের সবচেয়ে ব্যায়বহুল এপোলো হাসপাতাল গত ৫ বছর যাবত ঔষধ কিনে এক নকলকারী ও চোরাকারবারি দেলোয়ার নামক লোকের কাছ থেকে , যাকে গত ১৫-২-১৮ তারিখ নিকুঞ্জ ২ এর ১৭ নং রোড এর ১২ নং বাড়ি থেকে নকল ঔষধ ও প্যাকেজিং ম্যাটিরিয়ালস, নকল করার অন্যান্য সরঞ্জাম ও ঔষধের মেয়াদ লেখার কাজে ব্যবহৃত ৪২ টি সিল এবং অন্যান্য মালামাল সহ RAB-1 ও ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সহযোগিতায় গ্রেফতার করে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দেওয়া হয়েছে । উক্ত দেলোয়ার কোন ঔষধ ব্যাবসায়ী নন, যার কোন ঔষধের দোকান নেই , কোন কোম্পানী নেই, বৈধ কোন আমদানিকারক নয় । সে কিছু মেয়াদোত্তীরণ ঔষধ চোরাকারবারির মাধ্যমে ভারত থেকে এনে নতুন করে মেয়াদের তারিখ লাগায় আর বাকি ঔষধ নকল করে ।এপোলো হাসপাতাল গত ৫ বছর যাবত এ ঔষধ ক্রয় করে রোগীদের নিকট বিক্রয় করছে ।এ কষ্ট আর বেদনা সহ্য করি কেমনে ?হাসপাতালটিতে মেয়াদোত্তীরণ রিএজেন্ট ব্যবহার তো আছেই ।আজ এ সব কারণে RAB 1, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহযোগিতায় পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালত জরিমানা করে ৫ লক্ষ টাকা ।

Posted by Sarwoer Alam on Monday, February 19, 2018