sentbe-top

প্রয়োজনেই নিতে হচ্ছে জীবনের ঝুঁকি

train-pressangerপ্রবাদে আছে, প্রয়োজন আইন মানে না। নিত্য দিনেই নিতে হচ্ছে জীবনের ঝুঁকি, বাস, ট্রেন কিংবা ফেরিতে চলাচলের সময়ই ঝুঁকি থাকতে হয়। দেখার কেউ নেই! বলারও কেউ নেই। এদেশে কে কার কথা শোনে। ফলে বাড়ছে মৃত্যুহার। অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে এসব জীবন। ঈদ কিংবা বিভিন্ন পর্বে যাত্রার খেয়াল করলেই দেখা যাবে ঝুঁকিপূর্ণময় জীবন।

বাংলাদেশের মানুষ বাসের কিংবা ট্রেনের ওপর ওঠে দাঁড়িয়ে বসে দূর-দূরান্তে ভ্রমণ করে! লোকজন একটু তাড়াতাড়ি নিজ গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য এসব ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে। যাত্রীরাও বুঝে না আবার কর্তৃপক্ষও কিছু বলে না। বাস ও ট্রেনে ভ্রমণে সরকার নির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করেও বাস্তবায়নে কঠিন হয়ে পড়ে। এভাবে সাধারণ যাত্রীদের যানবাহনে চড়া কতটা সমীচীন।

ট্রাফিক আইনে পরির্বতন প্রয়োজন! যোগাযোগ অধিদফতর ও প্রশাসনকে এ নিয়ে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। নিরাপদ সড়ক ও নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে সরকারের প্রশাসনকেই কাজ করতে হবে। দেশ উন্নত হচ্ছে দেশের মানুষ শিক্ষিত হচ্ছে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও দিনে দিনে মজবুত হচ্ছে অথচ এখনো আমরা এভাবে ঝুঁকি নিয়েই ভ্রমণ করছি।

sentbe-adএক্ষেত্রে যতটা না যাত্রীরা দায়ী তার চেয়ে বেশি দায়ী জনপ্রশাসন বিআরটিসি কর্তৃপক্ষ। রেলের মতো একটি গতিময় মাধ্যমে কিভাবে রেল কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন করে এটা রেল কর্তৃপক্ষ ও সরকারের প্রশাসনের নজর দেয়া সময়ের দাবি।

দেশ ডিজিটাল হচ্ছে অথচ যাতায়াতে প্রযুক্তিগত সেবার মান উন্নত করা হচ্ছে না। এখন থেকে বাস ও ট্রেনের ছাদে যাত্রী বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা উচিত। ফলে অনেক যাত্রী অসতর্কতার কারণে ও দ্রুতগতিতে যানবাহন চলাচলে ট্রেন থেকে ছিটকে পড়ে মৃত্যুবরণ করছে।

সুতরাং কর্তৃপক্ষকে আইন করে পরিবহনের ওপরে ছাদে যাত্রী উঠানো বন্ধের আহ্বান জানাচ্ছি। যদিও অনেকাংশে যাত্রীরাই দায়ী; কিন্তু এক্ষেত্রে সরকারের প্রশাসনকে নীরব থাকলে হবে না। নিরাপদ ভ্রমণ ও নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা সরকারেই দায়িত্ব।

লেখক: রাশিদুল ইসলাম জুয়েল, প্রবাসী লেখক
সৌজন্যে: জাগো নিউজ

sentbe-top