Search
Close this search box.
Search
Close this search box.

পরিসংখ্যান দিয়ে নয়, লড়াই হয় ২২ গজে : মাশরাফি

mashআগে ততটা ছিল না। তবে গত কয়েক বছর বিশেষ করে ২০১৭ সালের একদম শেষ দিকে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের ঠিক পরপরই চন্ডিকা হাথুরুসিংহে বাংলাদেশ দল ছেড়ে শ্রীলঙ্কার কোচ হওয়ার পর থেকে, বাংলাদেশ আর শ্রীলঙ্কা লড়াইয়ে একটা নতুন ও ভিন্নমাত্রার যোগ হয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতা আর উত্তেজনা আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেড়ে গেছে।

chardike-ad

মোদ্দা কথা, তারপর থেকে শ্রীলঙ্কার সাথে বাংলাদেশের খেলা মানেই একটা অন্যরকম উত্তেজনার বার্তাবরণ তৈরি হয়েছে। গত এক বছরে দুই দলের পারষ্পরিক মোকাবিলায়ও চরম প্রতিদ্বন্দ্বিতা। চারবারের মোকাবিলায় দু’দল জিতেছে সমান দুবার করে। আজকের ম্যাচেও কি সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতার আমেজ অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশ দল কি শ্রীলঙ্কাকে দেখে নেয়ার মানসিকতায় তৈরি হচ্ছে?

প্রেস কনফারেন্সে মাশরাফির কাছে প্রশ্ন ছুড়ে দেয়া হলো, সাম্প্রতিক সময় আপনাদের সাথে লঙ্কানদের লড়াইটা অন্যরকম। এ লড়াইয়ের আরও কিছু হিসাব-নিকেশ থাকে। প্রতিদ্বন্দ্বিতাও হয় বেশ। কালকের ম্যাচেও কি ওসব থাকবে? জবাবে মাশরাফি জানিয়ে দিলেন, তিনি কোনো সময়ই অতীত মুখো নন। তার অভিধানে ইতিহাস ও পরিসংখ্যান তেমনভাবে নেই। থাকলেও গুরুত্ব পায় খুব কম।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে তার নিজের করা উক্তির উদাহরণ টেনে মাশরাফি বলেন, ‘দেখুন আমি সব সময় বলি অতীত ইতিহাস আর পরিসংখ্যান আমার কাছে তেমন গুরুত্বপূর্ণ না। আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে, ইংল্যান্ডের সাথে খেলার আগেও বলেছিলাম, আগের দুই বিশ্বকাপে আমরা যে ইংল্যান্ডকে হারিয়েছিলাম, সেই দুই জয়ের ইতিহাস আর কার্ডিফের সুখস্মৃতি- কোনোটারই আমার কাছে তেমন গুরুত্ব নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘কারণ আমি জানতাম এবার যে ম্যাচটি হবে, সেটি হবে একদম নতুন ম্যাচে। যার সবকিছুতেই নতুনত্ব। পুরনো কিছুই থাকবে না। সব প্রথম থেকে শুরু করতে হবে। আগের দুই বিশ্বকাপে কি ঘটেছিল? কোন ম্যাচে কি হয়েছিল- এসব আসলে মাঠের লড়াইয়ে তেমন প্রভাব পড়ে না।

‘দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে জয়ের পরও যেমন বলেছিলাম, আগের পারফরম্যান্স, জয়ের সুখস্মৃতি কোনোটাই মাঠে প্রভাব ফেলবে না। এখন কাল শ্রীলঙ্কার সাথে ম্যাচের আগেও তাই বলছি। অতীতে লঙ্কানদের সাথে কি হয়েছে? সেটা ধর্তব্য নয়। তার কোনো প্রভাব মাঠে পড়ে না। আসল লড়াই হয় ২২ গজে এবং কাল শ্রীলঙ্কার সাথেও তাই হবে। যে দল নিজেদের কাজগুলো ঠিকমতো করতে পারবে, সময়ের দাবি মিটিয়ে ব্যাটিং, বোলিং আর ফিল্ডিংয়ে যাদের পারফরম্যান্সটা হবে বেশি কার্যকর, তারাই জিতবে’- শেষ করেন মাশরাফি।