
ফাইল ছবি
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও সমমনা আট দলের সঙ্গে নির্বাচনী জোটে যুক্ত হয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার সমমনা-৮ দল ও এনসিপি আলাদাভাবে সংবাদ সম্মেলন করে জোটের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়। এদিকে এনসিপির সংবাদ সম্মেলন চলাকালে জোট ইস্যুতে নিজের অবস্থান জানিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।
ফেসবুক পোস্টে মাহফুজ আলম স্পষ্ট করে জানান, তিনি জামায়াত-এনসিপি জোটে যুক্ত হচ্ছেন না। একই সঙ্গে বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি গঠনের ইঙ্গিত দিয়ে সমর্থকদের তার সঙ্গে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
মাহফুজ আলম লেখেন, জুলাই অভ্যুত্থানের সময় নাগরিক কমিটি ও এনসিপি সম্মুখসারির নেতৃত্বে সংগঠিত হয়েছিল এবং ওই দুই সংগঠনে তাঁর সহযোদ্ধারা থাকায় গত দেড় বছর ধরে তিনি নীতিগত ও কৌশলগত পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন। নতুন রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক বন্দোবস্ত, ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াই, সামাজিক পুনর্মিলন ও দায়বদ্ধ সমাজ গঠনের বিষয়ে তিনি ধারাবাহিকভাবে কথা বলেছেন বলেও উল্লেখ করেন।
তবে এনসিপিকে একটি বৃহৎ ও স্বতন্ত্র ‘জুলাই আম্ব্রেলা’ হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা সফল হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি। বর্তমান বাস্তবতায় সহযোদ্ধাদের প্রতি সম্মান ও বন্ধুত্ব বজায় থাকলেও এনসিপির অংশ না হওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান মাহফুজ আলম।
তিনি আরও বলেন, জামায়াত-এনসিপি জোট থেকে প্রস্তাব না পাওয়ার বিষয়টি সত্য নয়। তবে ঢাকার কোনো আসনে জোটের প্রার্থী হওয়ার চেয়ে নিজের দীর্ঘদিনের নীতিগত অবস্থান ধরে রাখাকেই তিনি বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন।
পোস্টে মাহফুজ আলম উল্লেখ করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ এক ধরনের ‘শীতল যুদ্ধের’ মধ্যে রয়েছে। এ সময় কোনো পক্ষ না নিয়ে নিজস্ব নীতি ও অবস্থানে অটল থাকাই শ্রেয় বলে তিনি মনে করেন। বিকল্প ও মধ্যপন্থী তরুণ, জুলাই শক্তির উত্থানের সম্ভাবনা এখনো শেষ হয়ে যায়নি বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, “আমি গত দেড় বছরে যা বলেছি, যে নীতিতে বিশ্বাস রেখেছি, তা অব্যাহত রাখব। রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক সব উপায়ে। If you care to join me, you are most welcome. নতুন রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক বন্দোবস্ত সম্ভব ও বাস্তব। বিকল্প ও মধ্যপন্থী তরুণ/জুলাই শক্তির উত্থান অত্যাসন্ন।”







































