
পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম বলেছেন, দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং জনগণের জানমাল রক্ষায় বাংলাদেশ পুলিশ সর্বদা নিষ্ঠা ও পেশাদারির সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি সব পুলিশ সদস্যকে সর্বোচ্চ সতর্কতা, ধৈর্য ও সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ লাইনসের সিভিক সেন্টারে আয়োজিত প্রাক-নির্বাচনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন আইজিপি।
এ সময় তিনি পুলিশের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়াতে দায়িত্ব পালনের সময় বডি-অর্ন ক্যামেরা ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি জনবান্ধব পুলিশিং আরও জোরদার করে জনগণের প্রত্যাশিত পুলিশি সেবা সহজ ও কার্যকরভাবে দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশনা দেন।
আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে চট্টগ্রামের পুলিশ অফিসার ও ফোর্স সদস্যদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত সভায় বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা তাঁদের কর্মক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা, নির্বাচনকালীন চ্যালেঞ্জ এবং কল্যাণমূলক নানা দাবি ও প্রস্তাব তুলে ধরেন। এর মধ্যে দ্বীপ থানাগুলোর জন্য স্পিডবোট সরবরাহ, মোটরসাইকেল কেনায় ঋণ সুবিধা, দ্বীপ ভাতা চালু ও বৃদ্ধি এবং নির্বাচনকালীন দায়িত্বপ্রাপ্তদের সরকারি সুবিধা বাড়ানোর দাবি উল্লেখযোগ্য।
চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার নাজির আহমেদ খাঁনের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হাসিব আজিজ ও চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আহসান হাবীব পলাশ।
সভায় চট্টগ্রাম রেঞ্জ কার্যালয়, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশসহ চট্টগ্রাম বিভাগের আওতাধীন ২৯টি ইউনিটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন পদবীর মোট ৪৫৮ জন পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা জোরদার, প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিং ও আন্তঃইউনিট সমন্বয় বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা। পুলিশের প্রত্যাশা, এ সভা পুলিশ সদস্যদের মনোবল বৃদ্ধি করে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।










































