
ছব : সংগৃহীত
ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় বাসিলান প্রদেশে ৩৩২ জন যাত্রী এবং ২৭ জন ক্রুসহ একটি ফেরি ডুবে গেছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ভোরে ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। খবর আল জাজিরার।
ফিলিপাইন কোস্টগার্ডের ডুবুরিরা জীবিত অবস্থায় ১৩৮ জন যাত্রীকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ১৮ জনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে এখনও অনেক যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে চেষ্টা চলছে।
বাসিলান প্রদেশের মেয়র আরসিনা লাজা কাহিং-নানোহ ফেসবুকে বলেন, দুর্ঘটনায় অন্তত ১৫ জন মারা গেছেন। তিনি একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। ভিডিওটিতে কোস্টগার্ড কর্মীরা মানুষকে উদ্ধার এবং মৃতদেহ তোলার কাজ করতে দেখা গেছে।
কোস্টগার্ড কমান্ডার রোমেল দুয়া জানান, দুর্ঘটনার কারণ এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। ফেরিটি রওনা দেওয়ার সময় অতিরিক্ত ভিড় ছিল না। স্থানীয় উদ্ধারকর্মী রোনালিন পেরেজ জানান, উদ্ধার কাজ চ্যালেঞ্জিং হচ্ছে, কারণ আহতদের সংখ্যা অনেক এবং কর্মী কম।
প্রশাসনসূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত ফেরি ‘ত্রিশা কেরস্টিন ৩’ স্থানীয় সময় ভোরে বাসিলানের জাম্বোয়াঙ্গা শহর থেকে মিন্দানাও প্রদেশের জোলো দ্বীপের উদ্দেশে রওনা দেয়। কিন্তু যাত্রার কিছুক্ষণের মধ্যেই ফেরিটি ডুবে যায়। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি।
ফিলিপাইনে সমুদ্র দুর্ঘটনা খুবই সাধারণ। ঝড়, অতিরিক্ত যাত্রী ও নিরাপত্তা নিয়মের অবহেলা প্রায়শই দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে দেখা যায়। গত শুক্রবারও একটি কার্গো জাহাজ ডুবে দুই নাবিকের মৃত্যু হয়েছে। ১৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং ৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
ফিলিপাইনের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ সামুদ্রিক দুর্ঘটনা ঘটে ১৯৮৭ সালে। সেসময় একটি ফেরি ডুবে ৪,৩০০-এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছিল।





































