
এর ভেতরের কিছু গোষ্ঠী ইরানপন্থী হিসেবে পরিচিত
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় ইরাক কার্যত দুই পক্ষের সংঘর্ষের ময়দানে পরিণত হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, রবিবার যুক্তরাষ্ট্র পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস (পিএমএফ)-এর বিরুদ্ধে হামলা চালিয়েছে, যার ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
এই সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কিছু অংশ ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে আইএসআইএল-এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য পিএমএফ গঠিত হয়, যখন আয়াতুল্লাহ আলি সিস্তানি দেশ রক্ষায় জনগণকে অস্ত্র ধরার আহ্বান জানিয়ে একটি ফতোয়া জারি করেন।
পরবর্তীতে পিএমএফ ইরাকি সামরিক বাহিনীর অধীনে আসে এবং রাষ্ট্র থেকে অর্থায়ন পেতে থাকে। তবে এর ভেতরের কিছু গোষ্ঠী ইরানপন্থী হিসেবে পরিচিত, এবং ধারণা করা হয় তারা যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি, সম্পদ ও স্বার্থের ওপর হামলা চালিয়ে আসছে।
বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছাকাছি ক্যাম্প ভিক্টরিতে প্রায় প্রতি রাতেই হামলার ঘটনা ঘটছে। কিছু ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে ক্ষয়ক্ষতি করেছে, যদিও তা মূলত প্রতীকী ধরনের ক্ষতি। এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্রও পাল্টা হামলা চালাচ্ছে।
এদিকে, এসব ড্রোন হামলা ঠেকাতে বাগদাদের বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসিয়েছে ইরাকি নিরাপত্তা বাহিনী। কারণ, কিছু গোষ্ঠী রাজধানীর আশপাশ থেকেই ড্রোন উৎক্ষেপণ করছে। ফলে একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা এবং অন্যদিকে শক্তিশালী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করা—এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে গিয়ে ইরাকি কর্তৃপক্ষ কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েছে।






































