
ফাইল ছবি
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধাবস্থা তীব্রতর হওয়ায় আকাশপথে যোগাযোগব্যবস্থা বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে গত ৩৭ দিনে এই বিমানবন্দরে সর্বমোট ২৬৪টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
রবিবার (৫ এপ্রিল) রাতে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল স্বাক্ষরিত এক প্রেস বুলেটিনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
সংকটজনক পরিস্থিতির কারণে গত শনি ও রবিবার এই দুই দিনেই মধ্যপ্রাচ্যগামী এবং মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত মোট ১৯টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৭টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ৪টি, এয়ার আরাবিয়ার ৪টি এবং সালাম এয়ারের ওমান রুটের ৪টি ফ্লাইট রয়েছে। গত ৪ এবং ৫ এপ্রিল সারাদিনে এসব ফ্লাইট বাতিলের ফলে ওই অঞ্চলের প্রবাসীদের যাতায়াতে ভোগান্তি আরও দীর্ঘায়িত হচ্ছে।
ফ্লাইট বাতিলের এই হিড়িকের মধ্যেও গত দুই দিনে মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত বিভিন্ন এয়ারলাইনসের ১৩টি অ্যারাইভাল এবং ১০টি ডিপার্চার ফ্লাইট সচল ছিল বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। তবে সালাম এয়ার, এয়ার আরাবিয়া এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ, দুবাই ও আবুধাবি থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলোর স্থবিরতা এখনো কাটেনি। মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট সূচিতে এই অনিশ্চয়তা বজায় থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে যাত্রীসাধারণের সুবিধার্থে বিমানবন্দরে আসার আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনস বা কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। উদ্ভূত এই সংকটে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। প্রবাসীদের দুর্ভোগ কমাতে বিকল্প ব্যবস্থা এবং ফ্লাইট সচল রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলেও জানানো হয়।










































