
ফাইল ছবি
বিশ্ববাজারে আজ বড় ধরনের ওঠানামার পর অবশেষে বেড়েছে সোনার দাম। সোমবার (১৮ মে) দিনের শুরুতে দাম কমে প্রতি আউন্স গত ৩০ মার্চের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গিয়েছিল। তবে সেই ধাক্কা সামলে পরবর্তীতে দাম প্রায় ১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ে।
বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে জুনের সরবরাহযোগ্য প্রতি আউন্স সোনা ৪ হাজার ৫৬৭ ডলার থেকে ৪ হাজার ৫৭২ ডলারের মধ্যে বেচাকেনা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামের এই উত্থান-পতনের তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
বাজার বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের সূচক দিনের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে যাওয়ার কারণে সোনার বাজারে এই ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তবে সরকারি বন্ডের লাভ বা ফলন যদি এভাবে বাড়তে থাকে, তাহলে সোনার দামের এই বৃদ্ধি স্বল্পমেয়াদে কিছুটা থমকে যেতে পারে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান সংকটের কারণে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি বা জিনিসপত্রের দাম বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সুদের হার আরও বাড়াতে পারে।
সাধারণত সুদের হার বেশি থাকলে বিনিয়োগকারীরা সোনা কেনার চেয়ে অন্যান্য লাভজনক খাতে বিনিয়োগে বেশি ঝুঁকে পড়েন। ফলে সোনার বাজারে এক ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে এবং বড় ব্যাংক জেপি মরগ্যানও ২০২৬ সালের জন্য সোনার দামের আগের পূর্বাভাস কিছুটা কমিয়ে এনেছে।
এদিকে ইরানের ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের তেলের নিষেধাজ্ঞা শিথিল হতে পারে— এমন একটি খবর ছড়িয়ে পড়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ২ ডলার কমে গেছে।
সোনার দাম বাড়ার এই দিনে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। রুপার দাম ২ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৭৭ দশমিক ৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি প্লাটিনামের দাম সামান্য বাড়লেও, প্যালাডিয়াম নামের ধাতুর দাম কিছুটা কমে গেছে।












































