
পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের পর পাহাড়ের সব সম্প্রদায়ের মানুষের প্রতি শান্তি, ধৈর্য ও সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন দীপেন দেওয়ান। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আমার শেষ ঠিকানা” এবং জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত দলের আদর্শের প্রতি অনুগত থাকবেন।
বুধবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে দীপেন দেওয়ান বলেন, তার পদত্যাগকে কেন্দ্র করে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে যে আবেগ, উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি অবগত রয়েছেন। তবে তিনি সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো ধরনের উসকানি, বিভ্রান্তি বা সংঘাতের পথে না গিয়ে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্যের পরিবেশ বজায় রাখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম সবার এবং এই অঞ্চলের উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা ও শান্তি রক্ষার দায়িত্বও সবার। পাহাড়ি, বাঙালি ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক আস্থা আরও শক্তিশালী হোক—এটাই তার প্রত্যাশা।
গত সোমবার শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ করেন দীপেন দেওয়ান। এরপর তার পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার ও পুনর্বহালের দাবিতে রাঙামাটিতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন।
পোস্টে নিজের রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ এবং খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। দলটির আদর্শ ও জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক যেকোনো পরিস্থিতিতেই বিএনপির প্রতি তার আনুগত্য অটুট থাকবে।
দীপেন দেওয়ান আরও বলেন, মতপার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু বিভেদ নয়; প্রতিযোগিতা থাকতে পারে, কিন্তু সংঘাত নয়। শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।










































