রবিবার । মার্চ ২২, ২০২৬
বাংলা টেলিগ্রাফ ডেস্ক রাজনীতি ২২ ডিসেম্বর ২০২৫, ৮:৩৮ অপরাহ্ন
শেয়ার

‘অপরাজেয় বাংলা’ নামে নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ


oporajio-bangla

ছবি: সংগৃহীত

দেশের রাজনীতিতে ‘অপরাজেয় বাংলা’ নামে নতুন আরেকটি রাজনৈতিক দল আত্মপ্রকাশ করেছে। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম হলে আয়োজিত এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দলটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।

একুশে পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তিত্ব আহমেদ ইকবাল হায়দারকে চেয়ারপারসন করে গঠিত এই দলে হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ ও বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে সামনে রেখে পেশাদার ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে দলটি গঠন করা হয়েছে বলে জানানো হয়।

দলের সাংগঠনিক কাঠামোতে রয়েছে ১১ সদস্যের ভাইস চেয়ারম্যান পরিষদ, ২৪ সদস্যের স্ট্যান্ডিং কমিটি এবং ৭১ সদস্যের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। এতে ট্রান্সজেন্ডার কমিউনিটির প্রতিনিধিত্বের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বন্দর ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ খাতে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত গ্রুপ ক্যাপ্টেন ফরিদ উদ্দিন, জনেন্দ্র নাথ সরকার, মো. মোসাদ্দেকসহ স্ট্যান্ডিং কমিটির একাধিক সদস্য।

বক্তারা বলেন, স্বাধীনতা আন্দোলন থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক গণ-অভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় অতিক্রম করছে। সঠিক পরিকল্পনা ও বিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশকে ‘নেক্সট-১১’ অর্থনীতির কাতারে নিয়ে যাওয়ার বাস্তব সম্ভাবনা রয়েছে। এ লক্ষ্য সামনে রেখে ২০৩০-৩১ অর্থবছরের মধ্যে যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও প্রতিরক্ষা খাতে প্রায় ৩১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে দলের ভবিষ্যৎ রোডম্যাপ তুলে ধরে গ্রুপ ক্যাপ্টেন ফরিদ উদ্দিন (অব.) বলেন, অপরাজেয় বাংলার প্রধান লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষা, গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং বৈষম্যহীন সমাজ গঠন।

এ ছাড়া গ্রামীণ উন্নয়ন, শিল্পায়ন, বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা, ব্লু ইকোনমি, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, পাশাপাশি ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা নীতির ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান তিনি।

দলটির ঘোষণায় বলা হয়, মুক্তবাজার অর্থনীতি ও বৈদেশিক বিনিয়োগের মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করে দুর্নীতি ও বৈষম্যহীন একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলাই ‘অপরাজেয় বাংলা’র মূল উদ্দেশ্য।