
সদ্য শেষ হওয়া মে মাসে নিজেদের লেনদেনের বেশ কয়েকটা রেকর্ড নতুন করে লিখেছে ডাক বিভাগের মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান নগদ। মাসিক ভিত্তিতে ইতিহাসে সর্বোচ্চ লেনদেনের পাশাপাশি এই মাসেই ঈদুল আজহা উদযাপনের ঠিক আগে একাধিকবার একদিনে লেনদেনের রেকর্ড হয়েছে। নতুন রেকর্ড হয়েছে অ্যাক্টিভ ব্যবহারকারীর সংখ্যায়ও।
মে মাসে সব মিলিয়ে ৪৪ হাজার ৬৩৯ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে নগদের মাধ্যমে। এর আগে এক মাসে নগদের সর্বোচ্চ লেনদেনের রেকর্ড ছিল চলতি বছরের মার্চ মাসে। সে সময় গ্রাহকেরা নগদের মাধ্যমে ৪১ হাজার ৪৬৯ কোটি টাকার লেনদেন করেছিলেন। এ ছাড়া চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে গ্রাহকেরা ৪০ হাজার ৩০১ কোটি টাকা লেনদেন করেছেন। সর্বশেষ ছয় মাসের ভেতর অন্তত চার মাসেই আগের লেনদেনের রেকর্ডগুলো নতুন করে লিখেছে নগদ।
শেষ হওয়া এই মাসেই ঈদুল আযহার সপ্তাহে অন্তত দুইবার দিনে সর্বোচ্চ লেনদেনের নতুন রেকর্ড তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। শুধু ২৪ মে নগদের মাধ্যমে লেনদেন হয় দুই হাজার ১৬২ কোটি টাকা। একদিন বিরতি দিয়ে ২৬ মে লেনদেন হয় দুই হাজার ১৭৭ কোটি টাকা। এর আগে ২০ মে লেনদেন হয় দুই হাজার ১০৫ কোটি টাকা।
মূলত ঈদের মাসে মানুষের লেনদেন সংক্রান্ত প্রয়োজন অনেক বৃদ্ধি পায়। ফলে এই সময়ে ক্যাশ-ইন, ক্যাশ-আউট, বিদেশ থেকে রেমিট্যান্স আসা, মোবাইল রিচার্জ করা, সেবা প্রতিষ্ঠানের বিল প্রদান এবং কেনাকাটার পেমেন্টসহ এমন নানান কাজে গ্রাহকেরা আগের চেয়ে বেশি নগদের ওপর নির্ভর করেছেন। তাছাড়া এই মাসেই সরকারি ভাতা এবং আর্থিক সুবিধাও বিতরণের অন্যতম প্রধান মাধ্যম ছিল নগদ। সে কারণে নগদ মানুষের ভালোবাসার এতোটা কাছে পৌঁছে যেতে পেরেছে।
নগদের মাধ্যমে লেনদেনের এমন ইতিবাচক ধারার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটিতে বাংলাদেশ ব্যাংকনিযুক্ত প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ বলেন, ‘নগদের এমনকিছু সেবা আছে যা গ্রাহকদের সহজে আকৃষ্ট করে। নগদে যেহেতু খরচ কম, আমাদের দেশের সাধারণ মানুষের কাছে নগদ অনেক জনপ্রিয়। কারণ এক হাজার টাকা ক্যাশ আউট করলে এখানে সাড়ে ছয় টাকা খরচ কম হয়। আমাদের দেশে বিদ্যমান মোবাইল আর্থিক সেবাগুলোর মধ্যে নগদ এখনো সবচেয়ে কম টাকায় ক্যাশ আউট করার সুযোগ দিচ্ছে।’
এর বাইরে নগদের প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ সাধনের মাধ্যমে গ্রাহকদের লেনদেনের সর্বাধিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও গ্রাহক আস্থা অর্জনে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করেন তিনি।














































