cosmetics-ad

উত্তর কোরিয়াকে একসাথে মোকাবেলা করবে দ. কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন প্রতিবেদক, ২৫ মার্চ, ২০১৩:

উত্তর কোরিয়ার ক্রমাগত যুদ্ধ উস্কানি অত্যন্ত সতর্কতার সাথে মোকাবেলা করার লক্ষ্যে সিউল এবং ওয়াশিংটন একটি বিশেষ খসড়া পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর যৌথ কমান্ড রোববার এ কথা জানিয়েছে।

এ পরিকল্পনার আওতায় উত্তর কোরিয়ার যে কোন ধরণের উস্কানি মোকাবেলায় দক্ষিণ কোরিয়াকে সহযোগিতা করবে যুক্তরাষ্ট্র। দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চীফ অব স্টাফ চেয়ারম্যান জুং সুং-জো এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে যৌথ বাহিনীর চীফ কমান্ডার জেমস ডি থারম্যান শুক্রবার এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবেই এটি কার্যকর করা হয়।

এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ২০১০ সালে ইয়ংপিয়ং আইল্যান্ডে উত্তর কোরিয়ার সশস্ত্র হামলার পর থেকেই দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র এ ধরণের একটি পারস্পরিক সহযোগিতা পরিকল্পনা করে আসছে, সেটিকেই এবার কাগজে-কলমে রূপ দেয়া হল। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনাটি উত্তর কোরিয়ার উস্কানি এবং হুমকিগুলো দক্ষভাবে মোকাবেলায় দক্ষিণ কোরিয়া-যুক্তরাষ্ট্র যৌথ বাহিনীকে আরও সুসংহত করবে”।

সিউল কর্তৃপক্ষ চুক্তির ব্যাপারে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন এটি নিঃসন্দেহে দক্ষিণ কোরিয়াকে আরও শক্ত অবস্থান এনে দিলো। এ চুক্তির ফলে সিউল উত্তর কোরিয়ার যে কোন ধরণের আক্রমণের দশ গুণ বেশী শক্তিশালী জবাব দেবার সামর্থ্য অর্জন করেছে বলেও মন্তব্য করেছেন অনেক কর্মকর্তা।
তবে সিউলের এ ধরণের আক্রমণাত্মক অবস্থানে কিছুটা অস্বস্তিতে রয়েছে ওয়াশিংটন। তাঁরা আশঙ্কা করছেন এ ধরণের বক্তৃতা-বিবৃতি দুই কোরিয়ার মাঝে একটি বড় ধরনের যুদ্ধ বাঁধিয়ে দিতে পারে যাতে খুব স্বাভাবিকভাবেই বর্তমান বিশ্বের অন্যতম দুই পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনও জড়িয়ে পড়বে।