cosmetics-ad

সিউলে নামছে পর্যটক পুলিশ

অনলাইন প্রতিবেদক, ১০ জুলাই ২০১৩:

সিউল মেট্রোপলিটন পুলিশ বিদেশি পর্যটকদের সাথে সংঘটিত প্রতারণাসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলাদাভাবে কাজ করতে পর্যটক পুলিশ বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই বিশেষ স্কোয়াড সিউল শহরে বিদেশী পর্যটকরা যেসব অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন সেগুলো সমাধানের চেষ্টা করবে বলে জানিয়েছেন নগর সরকারের একজন মুখপাত্র। এ বিষয়ে সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও পর্যটন বিষয়ক মন্ত্রনালয়সহ জাতীয় পুলিশ সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থাগুলোর সাথে এ বিষয়ে আলোচনা চলছে বলেও জানান তিনি। পকেটমারিং থেকে শুরু করে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ এ সব বিষয়েই পর্যটক পুলিশ কাজ করবে। প্রাথমিকভাবে শহরের তিনটি স্পট মিয়ংদুং, জোংনো এবং দোংদেমুনের প্রত্যেকটিতে ১০ জন করে কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেয়া হবে।

images

তবে এই বিশেষ স্কোয়াডের রূপরেখা ঠিক কেমন হবে তা এখনও চূড়ান্ত করা হয় নি। এ বিষয়ে দুটি প্রস্তাবনার একটি হচ্ছে, বিদেশী ভাষায় দক্ষ পুলিশ কর্মকর্তাদেরকে কেবল ভিন্ন পোশাকে পর্যটক জোনগুলোতে মোতায়েন করা হবে যেন তাঁদেরকে সহজেই আলাদা করে চেনা যায়। অথবা, শুধুই এ কাজের জন্য আলাদা পুলিশ স্টেশন স্থাপন করা যা কিনা অনেক বেশী কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

সিউল কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়াকে আদর্শ হিসেবে অনুসরণ করছে। এ দুটি দেশে ইতোমধ্যেই পর্যটক পুলিশ কাজ শুরু করেছে যারা মূলত দুর্ঘটনায় পড়া বিদেশী পর্যটকদের সহযোগিতা করা, আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করা, পর্যটকদের প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করা ও তাঁদের জন্য জরুরী চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা করে থাকে।

কোরিয়ান পর্যটন সংগঠনের তথ্যমতে, গেলো বছরে বিদেশী পর্যটকদের কাছ থেকে মোট ৮৯৭ টি অভিযোগ এসেছিল যা কিনা ২০০৯ সালে আসা ৪৬৮ টি অভিযোগের প্রায় দ্বিগুণ। সিউল শহর কর্তৃপক্ষ মনে করে ক্রমবর্ধমান পর্যটকের সংখ্যা আরও বাড়াতে এ দিকটিতে এখনই বিশেষ নজর দেয়া জরুরী। প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে সারা বিশ্বের এক কোটিরও বেশী পর্যটক সিউল ভ্রমন করেন।