sentbe-top

‘অর্থমন্ত্রীর চেয়ে বড় ননসেন্স আর কেউ নেই’

muhitঅর্থমন্ত্রী কথায় কথায় মানুষকে ননসেন্স বলেন। কিন্তু তার চেয়ে বড় ননসেন্স আর কেউ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। মঙ্গলবার সংসদে বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে একই পরিবারের চার সদস্য থাকার সুযোগ এবং একটানা নয় বছর পরিচালক পদে থাকার বিধান রেখে আইন পাসের প্রতিবাদে এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাসদ-সিপিবি ও গণতান্ত্রিক মোর্চা ‘ব্যাংক পরিচালনায় দখলদারিত্ব মানি না’ শীর্ষক বিক্ষোভ সমাবেশ ও প্রতিবাদী মিছিল করে।

সাইফুল হক বলেন, ‘বেসরকারি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে এক পরিবারের চার সদস্য রেখে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক অভিমুখে আমরা বিক্ষোভ মিছিল করেছিলাম। তখন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বিক্ষোভকারীদের ননসেন্স বলে আখ্যায়িত করেছিলেন। কিন্তু ব্যাংকে এক পরিবারের চারজন সদস্যকে রাখার আইন সংসদে পাশের মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করলেন তার চেয়ে বড় ননসেন্স বাংলাদেশে আর কেউ নেই।’

misilতিনি আরো বলেন, ‘সরকার এই আইন পাশের মাধ্যমে ব্যাংক খাতকে লুটেরাদের হাতে তুলে দিয়েছে। ব্যাংক খাত আজ পুরো দেউলিয়া হয়ে গেছে।’ সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সহসম্পাদক সাজ্জাদ জহির চন্দনের সভাপতিত্বে ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা আকবর খানের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন সিপিবির সভপতিমণ্ডলীর সদস্য কমরেড কাফি রতন, গণসংহতির সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য জুলহাসনাইন বাবু প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, সরকার শেষ সময়ে লুটপাটের জন্য ব্যাংকে একই পরিবারের চারজনকে রাখার ব্যবস্থা করেছে। ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা লুটপাট করে আগামী নির্বাচনের জন্য আখের গোছাতে চাই। এসময় বক্তারা একই পরিবার থেকে চারজনকে রাখার হঠকারী সিদ্ধান্ত বাতিল করার আহ্বান জানান। অন্যথায় সরকারের বিরুদ্ধে লাগাতার কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষণাও দেন তারা। বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে একটি প্রতিবাদী মিছিল করে তারা।

সৌজন্যে: পরিবর্তন

sentbe-top