cosmetics-ad

দক্ষিণ কোরিয়ায় বৈরী আবহাওয়ায় চাল উৎপাদন কমছে ২.৬%

farmer work on rice field

দক্ষিণ কোরিয়ার কৃষিপ্রধান অঞ্চলগুলোয় চলতি বছর আবহাওয়া বেশ প্রতিকূল ছিল। এর জের ধরে দেশটিতে ধানের আবাদ ব্যাহত হয়েছে। ফলে ২০১৮-১৯ মৌসুমে দেশটিতে চাল উৎপাদন আগের মৌসুমের তুলনায় ২ দশমিক ৬ শতাংশ কমতে পারে। গতকাল প্রকাশিত মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্কের প্রতিবেদনে এ পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। খবর ওয়ার্ল্ডগ্রেইনডটকম।

ইউএসডিএর সাম্প্রতিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, প্রতিকূল আবহাওয়ার জের ধরে ২০১৮-১৯ মৌসুমে দক্ষিণ কোরিয়ায় সব মিলিয়ে ৩৮ লাখ ৬০ হাজার টন চাল উৎপাদন হতে পারে, যা আগের মৌসুমের তুলনায় ২ দশমিক ৬ শতাংশ কম। ২০১৭-১৮ মৌসুমে দেশটিতে মোট ৩৯ লাখ ৭০ হাজার টন চাল উৎপাদন হয়েছিল। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে দক্ষিণ কোরিয়ায় চাল উৎপাদন কমতে পারে ১ লাখ ১০ হাজার টন। বিগত এক দশকের মধ্যে এ মৌসুমেই দক্ষিণ কোরিয়ায় সবচেয়ে কম চাল উৎপাদন হতে পারে।

চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ২০১৮-১৯ মৌসুমে দক্ষিণ কোরিয়ায় সব মিলিয়ে ৩৮ লাখ ৭০ হাজার টন চাল উৎপাদনের পূর্বাভাস দিয়েছিল ইউএসডিএ। অর্থাৎ, ২০১৮-১৯ মৌসুমে দক্ষিণ কোরিয়ায় আগের প্রাক্কলনের তুলনায় ১০ হাজার টন কম চাল উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে।

বৈরী আবহাওয়ায় উৎপাদন কমার কারণে ২০১৮-১৯ মৌসুমে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে চাল রফতানি সাকল্যে ৫৩ হাজার টনে নেমে আসতে পারে বলেও পূর্বাভাস দিয়েছে ইউএসডিএ, যা আগের মৌসুমের তুলনায় ১৫ দশমিক ৮৭ শতাংশ কম।