
ছবি: সংগৃহীত
সুদানের উত্তর দারফুর রাজ্যের একটি ব্যস্ত বাজার এলাকায় ড্রোন হামলায় অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। তবে এ হামলার পেছনে কারা জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে গত কয়েকদিন ধরে সহিংসতা নতুন করে বেড়েছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।
২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সুদানের সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘাত চলছে। এ সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন এবং প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ মানুষ ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। এর ফলে দেশটিতে বিশ্বের অন্যতম বড় বাস্তুচ্যুতি ও তীব্র খাদ্য সংকট তৈরি হয়েছে।
ড্রোন হামলার বিষয়ে এখন পর্যন্ত সুদানের সেনাবাহিনী কিংবা আরএসএফ—কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি। এদিকে দক্ষিণ কর্ডোফান রাজ্য ও এর রাজধানী কাদুগলিতে সংঘর্ষ আরও তীব্র হয়েছে। গত সপ্তাহে সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত একটি শহর থেকে পালানোর সময় ড্রোন হামলায় আটজন নিহত হওয়ার ঘটনাও ঘটে।
কাদুগলিতে কর্মরত একটি মানবিক সংস্থার সূত্র রোববার এএফপিকে জানায়, নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির কারণে বিভিন্ন মানবিক সহায়তা সংস্থা তাদের সব কর্মীকে ওই এলাকা থেকে সরিয়ে নিয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সূত্রটি আরও জানায়, কাদুগলি থেকে জাতিসংঘের লজিস্টিক হাব স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের পরই এই প্রক্রিয়া শুরু হয়। তবে সহায়তা কর্মীরা কোথায় গেছেন, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।



































