
দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড় ও আশপাশের এলাকায় হাড়কাঁপানো শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শুক্রবার সকালে তেঁতুলিয়ায় চলতি শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, সকাল ৯টায় তাপমাত্রা ছিল ৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সকাল ৬টায় ছিল ৬.৯ ডিগ্রি। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল শতভাগ এবং বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার।
এর আগের দিন বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আর সর্বোচ্চ ছিল ১৮.৫ ডিগ্রি। বুধবার তাপমাত্রা নেমেছিল ৭.৫ ডিগ্রিতে, সর্বোচ্চ ছিল ২০ ডিগ্রি।
গত কয়েক দিন ধরে দুপুরে সূর্যের দেখা মিললেও কাঙ্ক্ষিত উষ্ণতা মিলছে না। শুক্রবার ভোর থেকেই গ্রাম ও শহরের সড়ক-মহাসড়ক ঘন কুয়াশায় ঢেকে যায়। কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে, চালকদের ধীরগতিতে গাড়ি চালাতে দেখা গেছে।
তীব্র শীতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন দিনমজুর, শ্রমজীবী মানুষ, যানবাহন চালক, শিশু ও বয়স্করা। অনেকেই কনকনে ঠান্ডার কারণে ভোরে কাজে বের হতে পারছেন না। শীত নিবারণে ভোর থেকে গ্রাম ও শহরের বিভিন্ন স্থানে খড়কুটো, শুকনো পাতা ও কাঠ জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা গেছে সাধারণ মানুষকে।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, উত্তরের হিমেল বাতাস ও ঘন কুয়াশার কারণে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। তাপমাত্রার এমন ওঠানামা আগামী কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলেও তিনি জানান।


































