
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ শুরুর আগে হরমুজ প্রণালি ও ওমান উপসাগর পেরিয়ে আসা ১২টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে। চলতি সপ্তাহে আরও তিনটি জাহাজ পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
এসব জাহাজের মধ্যে চারটিতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), দুটিতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) এবং বাকি নয়টিতে সিমেন্টশিল্পের কাঁচামাল ক্লিংকার রয়েছে।
বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক পরিচালক খায়রুল আলম সুজন জানান, যেসব জাহাজ হরমুজ প্রণালি ছেড়ে এসেছে, সেগুলো নিরাপদে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জাহাজগুলোর চলাচল মনিটর করছেন।
চট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে জানা গেছে, কাতার থেকে এলএনজি নিয়ে আসা ‘আল জোর’ ও ‘আল জাসাসিয়া’ জাহাজ ইতিমধ্যেই বন্দরে পৌঁছেছে। এছাড়া সিমেন্টশিল্পের কাঁচামাল, জিপসাম ও পাথরবাহী কয়েকটি জাহাজও বন্দরে এসেছে। এলপিজি পরিবহনের জন্য ‘সেভান’, ‘লুসাইল’ ও ‘আল গালায়েল’ নামের আরও তিনটি জাহাজ দ্রুত বন্দরে পৌঁছাবে।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশ মধ্যপ্রাচ্য থেকে প্রায় ৬০০ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করেছে, যার সিংহভাগই এসেছে হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে। দেশের জ্বালানি আমদানির একটি বড় অংশ এই রুটের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় বর্তমান পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন বন্দর কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।





































