
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসানকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী বা উপদেষ্টা করার সুপারিশসংক্রান্ত একটি চিঠি নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ার পর এ বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বুধবার (১১ মার্চ) মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, গত ২২ ফেব্রুয়ারি ড. মাহমুদুল হাসান বিরোধীদলীয় নেতার পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্দেশে লেখা একটি চিঠি ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পাঠান। পরে তিনি একই চিঠি সরাসরি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছেও হস্তান্তর করেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, চিঠিটি জাতীয় সংসদের প্যাডে লেখা ছিল এবং এতে ড. মাহমুদুল হাসানকে ‘বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা’ হিসেবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টা বা মন্ত্রী পদমর্যাদায় নিয়োগ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়।
চিঠিতে বিরোধীদলীয় নেতা স্বাক্ষর দিয়ে ড. মাহমুদুল হাসানের দক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও বিচক্ষণতার প্রশংসা করেন বলেও উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি দেশের পররাষ্ট্রনীতিকে আরও কার্যকরভাবে এগিয়ে নিতে তাকে ওই পদে নিয়োগের বিষয়টি বিশেষভাবে বিবেচনার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, চিঠির নিচে কেবল বিরোধীদলীয় নেতার স্বাক্ষর রয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতা লিখিতভাবে সম্মতি দিলে চিঠিটির পূর্ণাঙ্গ পাঠ জনসমক্ষে প্রকাশ করতেও প্রস্তুত রয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এদিকে একটি সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল, জামায়াতের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে জানানো হয় যে ওই চিঠি সম্পর্কে দলের আমির অবগত ছিলেন না। তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করেছে, এ ধরনের কোনো ফোনালাপ হয়নি।







































