
সংগৃহীত ছবি
আজ ২৬ মার্চ, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাত্রির নৃশংস হামলার পর পরদিনই শুরু হয় আমাদের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ। নয় মাসের রক্তক্ষয়ী লড়াই ও ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশ।
দিবসটি উপলক্ষে দেশে সরকারি ছুটি রয়েছে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আলাদা বাণীতে জাতিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বীর শহীদ, মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর-উত্তমসহ সকল অবদানকারীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তাঁদের বক্তব্যে রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, সুশাসন, স্বচ্ছতা, সমতা ও জাতীয় ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য স্বনির্ভর, নিরাপদ ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান তাঁরা।
সকালেই জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, বিদেশি কূটনীতিকদের শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। ঢাকাসহ সারাদেশে তোপধ্বনি, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ, সমাবেশ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে কুচকাওয়াজ ও ফ্লাই পাস্ট সবার জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।
বিকেলে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, কূটনীতিক, বিচারপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। সেখানে কেক কাটা ও অতিথিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় হবে।
দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রচনা, আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, বিভিন্ন মন্ত্রক, দূতাবাস ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে আলোচনা ও বিশেষ আয়োজন চলছে। নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের জাহাজ আজ সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত। সন্ধ্যায় মানিক মিয়া এভিনিউতে সশস্ত্র বাহিনীর অর্কেস্ট্রা ও ওয়ারফেজের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে।
এ ছাড়া বেতার-টেলিভিশনে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিশেষ অনুষ্ঠান, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, জাদুঘর উন্মুক্তকরণ, বিশেষ খাদ্য বিতরণসহ সারাদেশে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস।




































