
দুর্ঘটনাকবলিত প্রাইভেটকার ও বাস। ছবি: সংগৃহীত
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় বাসচাপায় প্রাইভেটকারে থাকা একই পরিবারের তিনজনসহ মোট ৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতরা সবাই নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী এলাকার বাসিন্দা। তারা হলেন- আব্দুল মুমিন, ঝর্না, লাবিবা ও আরসাদ।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলার কালাকচুয়া এলাকায় মিয়ামি হোটেলের সামনে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও ২ জন, যাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রাইভেটকারের যাত্রীরা মিয়ামি হোটেলে খাবার শেষ করে মহাসড়কে উঠছিলেন। ঠিক সেই মুহূর্তে ঢাকা থেকে নোয়াখালীগামী স্টারলাইন পরিবহনের একটি দ্রুতগামী বাস প্রাইভেটকারটিকে সজোরে চাপা দেয়। বাসের ধাক্কায় প্রাইভেটকারটি মুহূর্তেই দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই চালকের মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করেন। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়। ময়নামতি ক্রসিং হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মমিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ওসি জানান, নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের তিনজন রয়েছেন। দুর্ঘটনায় এক শিশুসহ আরও দুইজন মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে কুমিল্লা সেনানিবাস জেনারেল হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আহতদের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন।
দুর্ঘটনার পর মহাসড়কের এক লেনে কিছুক্ষণ যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটলেও পুলিশের তৎপরতায় দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। ঘাতক বাসটিকে আটক করার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে হাইওয়ে থানা পুলিশ।








































