
ছবি: সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন হামলায় ৫ বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার দাবি করেছে ইরান। গত সোমবার ওই এলাকায় যুক্তরাষ্ট্রের চালানো সামরিক অভিযানে ধ্বংস হওয়া নৌযানগুলো কোনো সামরিক বোট ছিল না বলে জানিয়েছে দেশটি। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, মার্কিন হামলায় ধ্বংস হওয়া ছয়টি বোটই ছিল মূলত বেসামরিক পণ্যবাহী ও যাত্রীবাহী নৌযান।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এক সামরিক কর্মকর্তা জানান, মার্কিন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরিচালিত তদন্তে দেখা গেছে ওমানের খাসাব উপকূল থেকে ইরানের দিকে আসা দুটি ছোট পণ্যবাহী নৌযানের ওপর মার্কিন বাহিনী হামলা ও গুলি চালিয়েছে।
ওই কর্মকর্তা মার্কিন বাহিনীর এই পদক্ষেপকে ‘বিপজ্জনক ও আনাড়ি আচরণ’ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি আরও বলেন, এই তড়িঘড়ি আচরণ মূলত ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ফাস্ট-বোট অপারেশন নিয়ে তাদের মনে থাকা চরম ভীতি ও দুঃস্বপ্ন থেকেই উদ্ভূত।
এর আগে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক পোস্টে জানিয়েছিল, হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করার অভিযানের সময় বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে ছয়টি ইরানি ফাস্ট-বোট লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। ওয়াশিংটন দাবি করে, ‘অপারেশন ফ্রিডম’-এর আওতায় এই পানিপথটি নিরাপদ রাখতে এবং বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে সুরক্ষা দিতেই ‘সি হক’ ও ‘অ্যাপাচি’ অ্যাটাক হেলিকপ্টার ব্যবহার করে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
তবে ইরানের পক্ষ থেকে বেসামরিক নাগরিক নিহতের নতুন এই দাবি সামনে আসার পর ওই অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ইরান স্পষ্ট করেছে যে, তাদের সাধারণ পণ্যবাহী নৌযানকে ভুলবশত লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে।








































