
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য হামলা থেকে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সম্পদ রক্ষায় পাকিস্তানের সহায়তা নিয়েছিল ইরান—এমন দাবি করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম। প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান তাদের কিছু সামরিক বিমান পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে অবস্থিত নূর খান বিমানঘাঁটিতে সরিয়ে নেয়। পাশাপাশি কিছু বেসামরিক বিমান আফগানিস্তানেও নেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, ইরান তাদের মূল্যবান প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও বিমান পাকিস্তান বিমান বাহিনীর ঘাঁটিতে স্থানান্তর করে, যাতে সেগুলো মার্কিন বা ইসরায়েলি হামলার ঝুঁকি থেকে নিরাপদ থাকে। পাঠানো বিমানের মধ্যে আরসি-১৩০ নজরদারি বিমান ও সি-১৩০ পরিবহন বিমান ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের ভাষ্য, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়ার পরপরই তেহরান এই পদক্ষেপ নেয়। তাদের ধারণা, সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় ইরান সামরিক ও বেসামরিক সম্পদ ছড়িয়ে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে রাখার কৌশল নেয়।
তবে পুরো অভিযোগ অস্বীকার করেছে পাকিস্তান। দেশটির এক কর্মকর্তা বলেন, নূর খান ঘাঁটি জনবহুল এলাকায় হওয়ায় সেখানে বিপুলসংখ্যক বিদেশি বিমান গোপনে রাখা সম্ভব নয়।
এদিকে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির দাবি, ইরানি যুদ্ধবিমানকে জায়গা দেওয়ার ঘটনায় ওয়াশিংটনে আলোচনা তৈরি হয়েছে এবং পাকিস্তানের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কয়েকজন মার্কিন আইনপ্রণেতা। যদিও ইসলামাবাদ এসব অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে।
অন্যদিকে আফগানিস্তানের বেসামরিক বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সংঘাত চলাকালে ইরানের মাহান এয়ারের একটি বেসামরিক বিমান কিছু সময়ের জন্য কাবুল বিমানবন্দরে অবস্থান করেছিল।
সূত্র: সিবিএস নিউজ







































