
সংগৃহীত ছবি
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা ও রামগড় উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় পৃথক গোলাগুলির ঘটনায় ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) দুই সদস্য নিহত হয়েছেন। বুধবার সংঘটিত এসব ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।
নিহতরা হলেন ইউপিডিএফ সদস্য সুজন চাকমা (৪৮) ও ববিন ত্রিপুরা। সুজনের বাড়ি দীঘিনালা উপজেলার কবাখালি ইউনিয়নের তারাবন্যা গ্রামে এবং ববিন ত্রিপুরার বাড়ি রামগড় উপজেলার মাজারা টিলা এলাকায়।
দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার দুই সদস্য নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ঘটনার পর ইউপিডিএফ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করেছে, সুজন চাকমা পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সশস্ত্র সদস্যদের হামলায় নিহত হন। সংগঠনটির ভাষ্য অনুযায়ী, সাংগঠনিক কাজে বাবুছড়ার মুড়োপাড়া এলাকায় অবস্থানকালে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়।
অন্যদিকে, ইউপিডিএফের দাবি, রামগড় উপজেলার প্রেমতলা এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের গুলিতে ববিন ত্রিপুরা নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় সুনিল ত্রিপুরা নামে আরেক সদস্য আহত হয়েছেন। এছাড়া মংসানু মারমা নামে একজন কর্মী নিখোঁজ রয়েছেন বলেও জানিয়েছে সংগঠনটি।
ইউপিডিএফের মুখপাত্র অংগ্য মারমা হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
তবে ইউপিডিএফের আনা অভিযোগের বিষয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) কিংবা সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা বাহিনীর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।








































