কেপটাউনে সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম দিনে উইকেটের সুবিধা বেশ ভালোই কাজে লাগিয়েছেন ভারতীয় বোলাররা। এবি ডি ভিলিয়ার্স আর ফাফ ডু প্লেসিসের জোড়া হাফসেঞ্চুরির পরও প্রথম ইনিংসে ২৮৬ রানের বেশি এগুতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে চাপে রয়েছে ভারতও। প্রথম দিন শেষে ভারতের সংগ্রহ ৩ উইকেট হারিয়ে ২৮ রান। এখনও ২৫৮ রানে পিছিয়ে দলটি।
এর আগে টসে জিতে ব্যাটিং বেছে নেয়াই যেন কাল হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার। পিচ থেকে পেসাররা বেশ সাহায্য পেয়েছেন। সুযোগ কাজে লাগিয়ে ভারতও শুরুতেই দক্ষিণ আফ্রিকার তিন ব্যাটসম্যানকে সাজঘরে ফেরত পাঠিয়ে দেয়। প্রোটিয়াদের বোর্ডে তখন মাত্র ১২ রান।
ভুবনেশ্বর কুমারের দুর্দান্ত সুইংয়ে রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ডিন এলগার। ৫ রান করে তারই এলবিডব্লিউয়ের শিকার এইডেন মার্করাম। এরপর অফস্ট্যাম্পের বাইরের বল খোঁচা লাগিয়ে আউট প্রোটিয়া ব্যাটিংয়ের অন্যতম স্তম্ভ হাশিম আমলা (৩)। ১২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে তখন রীতিমত ধুঁকছে দক্ষিণ আফ্রিকা।
চতুর্থ উইকেটে অবশ্য দলকে এই মহাবিপর্যয় থেকে বাঁচিয়েছেন ফাফ ডু প্লেসিস আর এবি ডি ভিলিয়ার্স। তারা গড়েছেন ১১৪ রানের বড় জুটি। দারুণ খেলতে থাকা ডি ভিলিয়ার্সকে বোল্ড করে শেষ পর্যন্ত এই জুটিটি ভেঙে দেন অভিষিক্ত জাসপ্রিত বুমরাহ। ৮৪ বলে ১১ বাউন্ডারিতে ৬৫ রান করেন ভিলিয়ার্স।
এরপর হার্দিক পান্ডিয়ার শিকার হয়ে ফিরেন আরেক হাফসেঞ্চুরিয়ান ফাফ ডু প্লেসিসও। ১০৪ বলে ১২ চারে ৬২ রান করেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক। তিনি ফেরার পর আর কেউ বড় ইনিংস খেলতে পারেননি।
৪০ বলে ৪৩ রানের ঝড় তুলে আউট হয়েছেন কুইন্টন ডি কক। কেশভ মহারাজ (৩৫), ভেরনন ফিলেন্ডার (২৩), কাগিসো রাবাদারা (২৬) নিচের দিকে অবদান রাখতে চেষ্টা করেছেন। না হয়, আরও কম রানেই গুটিয়ে যেতো দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস।
ভারতের পক্ষে ৪টি উইকেট নিয়েছেন ভুবনেশ্বর কুমার। রবিচন্দ্রন অশ্বিন নিয়েছেন ২টি উইকটে। একটি করে উইকেট হার্দিক পান্ডিয়া, মোহাম্মদ শামি আর জাসপ্রিত বুমরাহর।










































