cosmetics-ad

লেবাননে নতুন নিয়মের বেড়াজালে অবৈধ প্রবাসীরা

lebanono

লেবাননের সাধারণ নিরাপত্তা বিভাগ এক্সিট ভিসায় নতুন নিয়ম চালু করায় অবৈধ লেবানন প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিপাকে পড়েছে। স্বেচ্ছায় দেশে প্রত্যাবর্তন কর্মসূচির দ্বিতীয় ধাপের প্রক্রিয়া নতুন নিয়মের বেড়াজালে কিছুটা বিলম্বিত হচ্ছে। তবে বাংলাদেশ দূতাবাস এ জটিলতা নিরসনে কাজ করে যাচ্ছে।

বিশেষ কর্মসূচির আওতায় বৈরুত দূতাবাসে নিবন্ধনকারীদের মধ্যে দ্বিতীয় ধাপে ৪৯৯ জনের চলতি মাসে দেশে ফেরার কথা ছিল। গত ১৫ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ দূতাবাস এই কর্মসূচির আওতায় প্রায় আড়াই হাজার অবৈধ প্রবাসী বাংলাদেশি নিবন্ধিত হয়। তারা সবাই এক বছরের জরিমানা ও বিমান টিকিটের টাকা পরিশোধ করেছেন। তাদের মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ৪৯০ জন ইতোমধ্যে বৈরুত দূতাবাসের সহযোগিতায় দেশে ফিরেছেন।

lebanonoশনিবার (২৫ জানুয়ারি) দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৬০১ থেকে ১ হাজার ১০০ পর্যন্ত সিরিয়ালধারীদের টিকিট জানুয়ারি মাসে দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু গত সপ্তাহে হঠাৎ করে সাধারণ নিরাপত্তা বিভাগ এক্সিট ভিসার নতুন নিয়ম চালু করায় জটিলতা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ দূতাবাস সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, নতুন নিয়মে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকারীদের আঙুলের ছাপ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ নিয়মের কারণে নিবন্ধনকারীদের ভিসা আটকে আছে। বিষয়টি সময় সাপেক্ষ এবং বাড়তি ঝামেলা হওয়ায় দূতাবাস কর্তৃপক্ষ দ্বিতীয় দফায় ফিরতে প্রস্তুত অবৈধ প্রবাসীদের জন্য এই নিয়ম স্থগিত করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

lebanonoবাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, গত ২৩ জানুয়ারি জেনারেল সিকিউরিটি বিভাগ থেকে বাংলাদেশ দূতাবাসকে জানানো হয়- যে সকল অবৈধ প্রবাসী দেশে ফিরতে ইচ্ছুক তাদের ডিটেনশন সেন্টারে গিয়ে আঙুলের ছাপ দিতে হবে। এ বিষয়ে দূতাবাস থেকে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে এ নিয়ম বাতিলের অনুরোধ করে পত্র দেওয়া হয়েছে। তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ দূতাবাসের বিশেষ কর্মসূচির আওতায় স্বেচ্ছায় দেশে ফেরত ইচ্ছুক প্রায় ২ হাজার ৫০০ জন অবৈধ প্রবাসী বাংলাদেশি এক বছরের জরিমানা ও এয়ার টিকিটের টাকা পরিশোধ করে দূতাবাসে নাম নিবন্ধন করেন। তাদের মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ৪৯০ জন অবৈধ প্রবাসী বাংলাদেশি বৈরুত দূতাবাসের সহযোগিতায় দেশে ফিরে যেতে সক্ষম হয়েছেন।