
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের নিরপেক্ষতা নিয়ে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। দলগুলো সরাসরি কারও নাম না বললেও রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভিন্ন উপদেষ্টার প্রতি সন্দেহের কথাই উঠে এসেছে।
এরই প্রেক্ষিতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন।
শুক্রবার দুপুরে নিজ ফেসবুক পেজে তিনটি ফটোকার্ডসহ একটি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, “একটি দলের তালিকায় আমার নামও আছে। তবে আমি কখনো পক্ষপাতদুষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণে অভ্যস্ত নই। অনুরাগ-বিরাগের বশবর্তী হয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি। যেহেতু প্রশ্ন উঠেছে, তার নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন।”
তিনি মনে করেন, উপদেষ্টাদের নিরপেক্ষতা নিয়ে বিতর্কের স্থায়ী সমাধান হতে পারে আইনি নিষেধাজ্ঞা আরোপের মাধ্যমে।
ফাওজুল কবির খান প্রস্তাব করেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টা, বিশেষ সহকারী ও চুক্তিভিত্তিক নিয়োজিত কর্মকর্তারা ভবিষ্যতে যে কোনো নির্বাচিত সরকারের অধীনে লাভজনক পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হতে পারবেন না, এমন একটি অধ্যাদেশ জারি করা উচিত।”
তবে তিনি স্পষ্ট করেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে যারা পদত্যাগ করবেন, তাদের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য না হওয়া উচিত।
অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা বিতর্ক এখন রাজনৈতিক আলোচনার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে, আর উপদেষ্টার এই প্রস্তাব পরিস্থিতির নতুন দিক খুলে দিয়েছে।







































