
ফাইল ছবি
নবম জাতীয় পে-স্কেল নিয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার আগে আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) শেষ বৈঠকে বসছে পে কমিশন। বেলা ১২টায় সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পুরোনো ভবনের সম্মেলন কক্ষে পূর্ণ কমিশনের সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভা শেষে বিকেল ৫টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন হস্তান্তর করা হবে।
কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে প্রতিবেদন জমা দেবেন। এ সময় অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ উপস্থিত থাকবেন। মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান তিনি।
পে কমিশনের এক সদস্য জানিয়েছেন, নবম পে-স্কেলের সুপারিশ প্রায় চূড়ান্ত হয়েছে। সভায় খসড়া সুপারিশগুলো আরেকবার পর্যালোচনা ও সংশোধনের পর তা প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দেওয়া হবে। কমিশনের সুপারিশের কপি কোনো সদস্যের কাছেই থাকবে না, শুধু প্রধান উপদেষ্টার কাছেই সংরক্ষিত থাকবে।
সূত্র জানায়, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে নতুন বেতন কাঠামো আংশিকভাবে কার্যকর করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পুরো কাঠামো কার্যকর হবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন, অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে। বর্তমানে সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা, যা দ্বিগুণের বেশি বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। সর্বোচ্চ বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এক লাখ ২০ হাজার টাকার বেশি করার প্রস্তাব রয়েছে। সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের অনুপাত রাখা হচ্ছে ১:৮।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে বেতন কাঠামোর জন্য পরিচালন ব্যয় ২২ হাজার কোটি টাকা বাড়ানো হয়েছে। বেতন কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, পুরো কাঠামো বাস্তবায়নে অতিরিক্ত ৭০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে।
নতুন কাঠামোয় নিচের দিকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা তুলনামূলকভাবে বেশি বাড়ানোর সুপারিশ রয়েছে। তবে কমিশনের সব সুপারিশ হুবহু বাস্তবায়ন নাও হতে পারে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা। তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রস্তাবিত কাঠামোতে সরকারি চাকরিজীবীরা সন্তুষ্ট হবেন।
উল্লেখ্য, গত বছরের ২৭ জুলাই ২১ সদস্যের পে কমিশন গঠন করা হয়। বর্তমানে প্রায় ১৫ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ২০১৫ সালের বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন-ভাতা পাচ্ছেন।




































