
সংগৃহীত ছবি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির প্রার্থীদের নাম ঘোষণার পর রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। চূড়ান্ত তালিকায় গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার সুবর্ণা ঠাকুর (শিকদার)-এর নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সোমবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ঘোষিত ৩৬ সদস্যের তালিকায় সুবর্ণা ঠাকুরের নাম প্রকাশ করা হয়। এরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি ওঠে, তিনি কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।
এ নিয়ে অনলাইনে উপজেলা আওয়ামী লীগের একটি পুরোনো কমিটির তালিকাও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে ২০২৩ সালে প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ কমিটির ২৭ নম্বরে সুবর্ণা ঠাকুরের নাম থাকার তথ্য সামনে আসে।

এছাড়া সামাজিক মাধ্যমে আরও একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীকসংবলিত মনোনয়ন ফরম হাতে সুবর্ণাকে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে বক্তব্য দিতে দেখা যায়। ভিডিওতে তিনি আওয়ামী লীগের প্রতি নিজের সমর্থনের কথাও উল্লেখ করেন বলে দাবি করা হচ্ছে।
ঘটনাটি সামনে আসার পর স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই বলছেন, দীর্ঘদিন দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার করা নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন হওয়া উচিত ছিল। অন্যদিকে কেউ কেউ এটিকে বিএনপির কৌশলগত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন।
তবে সুবর্ণা ঠাকুর এসব দাবির বিষয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের কমিটিতে তার নাম অনুমতি ছাড়াই রাখা হয়েছিল এবং তিনি কখনো সক্রিয়ভাবে ওই দলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।









































