বুধবার । মে ৬, ২০২৬
বাংলা টেলিগ্রাফ ডেস্ক জাতীয় ৬ মে ২০২৬, ২:৫২ অপরাহ্ন
শেয়ার

‘আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করাই সরকারের লক্ষ্য’


‘আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করাই সরকারের লক্ষ্য’

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসন করে একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করাই বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (৬ মে) সকালে রাজধানীর বনানীতে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান কম্পাস আয়োজিত এক সংলাপ শেষে তিনি এই মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন প্রকল্পের অনুমোদন ও বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতার কারণে বিনিয়োগকারীরা হতাশ হয়ে পড়েন, যা দেশের অর্থনীতির জন্য শুভ নয়। বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসন করে একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা এবং প্রশাসনকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনা।

রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা অনেকটাই প্রশমিত হয়েছে এবং দেশ এখন স্থিতিশীলতার পথে রয়েছে। যদিও সব সমস্যা রাতারাতি দূর হয়ে গেছে এমনটা বলা যাবে না, তবে সরকার পরিস্থিতিকে আরও ইতিবাচক দিকে নিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর।

রোহিঙ্গা ইস্যু সমাধানে সংলাপ চলছে জানিয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যু এখনো দেশের জন্য বড় একটি সমস্যা। এ সংকট সমাধানে সরকার কাজ করছে। বিভিন্ন পর্যায়ে সংলাপ শুরু হয়েছে এবং সেই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানের দিকে এগোনোর চেষ্টা চলছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক স্থিতিশীল রাখা এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানোও সরকারের অগ্রাধিকারের মধ্যে রয়েছে। রোহিঙ্গা সমস্যার টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচনের পর কিছু পরিবর্তন এলেও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে পুরোপুরি নিশ্চিত বলা যাবে না। তবে পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে ইতিবাচক দিকে যাচ্ছে।

জ্বালানি খাতের সংকট মোকাবিলায় সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সাশ্রয় এবং দেশীয় গ্যাসের উত্তোলন বাড়ানো জরুরি হয়ে পড়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে গ্যাস উত্তোলনের টেন্ডার বা দরপত্র প্রক্রিয়া শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

একই সঙ্গে বঙ্গোপসাগরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে বলে তিনি জানান।