
ফাইল ছবি
চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিন উপজেলায় পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় তিন নারীসহ পাঁচ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে কেবল শিবগঞ্জ উপজেলাতেই মারা গেছেন তিন জন। আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে বৃষ্টির সময় এই পৃথক বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। সংশ্লিষ্ট থানাগুলোর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা (ওসি) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন—চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের আতাহার এলাকার মো. রাব্বিলের ছেলে আব্দুল্লাহ, শিবগঞ্জ উপজেলার চককীর্তি ইউনিয়নের চকনরেন্দ্র গ্রামের আব্দুর রবের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার, রানীবাড়ি-বাজারপাড়ার আবুল কাশেমের মেয়ে সাদিয়া খাতুন, মোবারকপুর ইউনিয়নের শিকারপুর দক্ষিণপাড়ার ফিটু আলীর ছেলে মো. মেসবাউল এবং নাচোল উপজেলার লাহাবাড়ি গ্রামের সুমিয়ারা বেগম।
শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মতিউর রহমান জানান, শিবগঞ্জে নিহত তিন জনই বাড়ির পাশে আম বাগানে মারা গেছেন। বিকেলে বৃষ্টি শুরু হলে তারা বাগানে আম কুড়াতে যান। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।
এদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি একরামুল হোসাইন জানান, সদর উপজেলার আতাহার এলাকায় বৃষ্টির মধ্যে মাঠে বেঁধে রাখা গরু আনতে যায় কিশোর আব্দুল্লাহ। এ সময় প্রচণ্ড শব্দে বজ্রপাত হলে সে গুরুতর আহত হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নাচোল উপজেলার লাহাবাড়ি (লাহপাড়া) গ্রামে মাঠে ঘাস কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে মারা যান সুমিয়ারা বেগম। নাচোল থানার ওসি সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ জানান, বিকেলে মাঠে ঘাস কাটার সময় বৃষ্টি শুরু হলে তিনি বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথিমধ্যে বজ্রপাতের শিকার হয়ে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, শিবগঞ্জের পাশাপাশি সদর ও নাচোল উপজেলায় নিহতদের পরিবারকেও সরকারি তহবিল থেকে তাৎক্ষণিকভাবে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। হঠাৎ একই দিনে বজ্রপাতে ৫ জনের এমন অকাল মৃত্যুতে জেলাজুড়ে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।














































