sentbe-top

কোরিয়ায় কর্মস্থলে আহত হলে কি করবেন?

south-koreaকোরিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশী কর্মীদের বেশিরভাগই বিভিন্ন কারখানায় কাজ করেন। এসব কারখানায় অনেকেই ভারী কাজ করেন, অনেকেই ঝুঁকিপূর্ণ মেশিন চালান। ফলে দূর্ঘটনাও ঘটছে অনেক বেশি। কাজ করতে গিয়ে কেউ কারখানায় আহত হলে সেই কোম্পানী সকল চিকিৎসা খরচ বহন করতে বাধ্য। আপনি অথবা আপনার আশেপাশে কেউ আহত হলে কি করবেন? আহত হওয়ার পরবর্তী করণীয় নিয়ে বাংলা টেলিগ্রাফের বিশেষ প্রতিবেদন।

দূর্ঘটনার পর করণীয়: দূর্ঘটনা ঘটার পর সবচেয়ে বড় প্রয়োজন হলো প্রাথমিক চিকিৎসা। কারখানায় প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার জন্য যথেষ্ট যন্ত্রপাতি থাকার কথা। প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার সাথে যত দ্রুত সম্ভব ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন এবং হাসাপাতালে নিয়ে যান। ১১৯ এ ফোন করে বিপদের কথা জানাতে পারেন। আংগুল কাটা গেলে ২৪ ঘন্টার মধ্যে হাসাপাতালে গিয়ে জোড়া লাগাতে হবে।

– কাজ করার সময় নিজের ভুলের কারণে দূর্ঘটনা ঘটলেও আপনি কর্ম দূর্ঘটনার বীমা পাবেন। দূর্ঘটনার পর কর্মস্থল থেকে একটা রিপোর্ট নিতে হবে। যদি কারখানা কর্তৃপক্ষ রিপোর্ট দিতে না চায়, সেক্ষেত্রে মাইগ্রান্ট সেন্টার, বিভিন্ন পরামর্শ কেন্দ্র, বাংলাদেশ দূতাবাস কিংবা ভাল কোরিয়ান জানে এই রকম পরিচিত বাংলাদেশী কারো সাহায্য নিন।

– কর্মকালীন দুর্ঘটনার বীমার টাকা আপনার একাউন্টে জমা হবে। এইজন্যে সবসময় নিজের একাউন্ট ব্যবহার করুন।

– মনে রাখবেন কর্মকালীন দূর্ঘটনার চিকিৎসা নেওয়া অবস্থায় কোম্পানী আপনাকে কোনভাবে দেশে ফেরত পাঠাতে পারবে না। আইন অনুযায়ী, আপনাকে কোম্পানী থেকে বেরও করে দিতে পারবে না। আইন না জানার কারণে অনেকেই দূর্ঘটনার স্বীকার হওয়ার পরে প্রাপ্য বীমা এবং চিকিৎসা না নিয়ে দেশে ফেরত যান। এইজন্য দূর্ঘটনা ঘটার সাথে সাথে বিদেশী কর্মীদের সাহায্য করে এমন সব সংস্থার সাথে যোগাযোগ করুন।

আহত হওয়ার পর ক্ষতিপূরণ হিসেবে যা পাওয়া যায়:

– চিকিৎসার খরচ

– চিকৎসাকালীন সময়ে বেতনের ৭০শতাংশ পাবেন

– রোগীর জন্য নার্স বা সেবাকারী ব্যবহারের ক্ষেত্রে তার বেতন

– চিকিৎসা শেষ হওয়ার পর কোন শারীরিক বিকলংগতা থাকলে তার ক্ষতিপূরণ

– রোগী মারা যাওয়ার ক্ষেত্রে পরিবারের খরচ বহন

প্রয়োজনীয় নাম্বার:

কোরিয়ার জরুরী ফোন সার্ভিস-১১৯

বাংলাদেশ দূতাবাস- ০২-৭৯৬৪-৪০৫৬

ওয়ার্কার ওয়েলফেয়ার কল সেন্টার- ১৩৫০ অথবা ১৫৪৪-১৩৫০

সিউল ওয়ার্কার ওয়েলফেয়ার সেন্টার- ০২-২২৩০-৯৪০০

sentbe-top